রঙ যখন বিশ্বরঙঃ এক অজানা বিপ্লব সাহা প্রিয়লেখার চোখে - প্রিয়লেখা

রঙ যখন বিশ্বরঙঃ এক অজানা বিপ্লব সাহা প্রিয়লেখার চোখে

Naseeb Ur Rahman
Published: September 16, 2017

কিছুদিন আগেই চলে গেলো পবিত্র ইদ-উল-আযহা। সামনেই আসছে শারদীয় দুর্গোৎসব। পুজোর মাতন বইছে প্রকৃতিতেও। এই পুজোর মাতনে চাই তো কিছু বাহারী পোশাক। তাই পুজোর বিশেষ আয়োজনে  কি ভাবছেন বিশ্ব রঙ এর কর্ণধার বিপ্লব সাহা? বাংলাদেশের ফ্যাশন জগতে তার অবদান তো আমরা জানিই। তার বর্ণীল আয়োজনে বনানী পুজোমন্ডপ প্রতিবারই মেতে ওঠে নতুন আলোয়। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। এবারো আমরা বিপ্লব সাহাকে পাচ্ছি সপ্তমীতে বনানী পুজো মণ্ডপে  তার বিশেষ আয়োজন, “শারদ সাজে দিদি”তে। সম্প্রতি ১৫ ও ১৬ই সেপ্টেম্বর তার অডিশনও হয়ে গেলো রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কে। সেখানে বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশের স্বনামধন্য বিউটি এক্সপার্ট কানিজ আলমাস খান; জনপ্রিয় নৃত্য শিল্পী, মডেল ও অভিনয় শিল্পী সাদিয়া ইসলাম মৌ; বিশিষ্ট হেয়ার স্টাইলিষ্ট কাজী কামরুল ইসলাম; প্রখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার ও বিশ্বরঙের কর্ণধার বিপ্লব সাহা; চিত্রনায়ক শিপন মিত্র; অভিনেত্রী শারমীন জোহা শশী; মডেল ও অভিনেত্রী রোকসানা হিরা; নৃত্য শিল্পী, মডেল ও অভিনয় শিল্পী নাদিয়া আহমেদ; বিশিষ্ট ফটোগ্রাফার সাফাওয়াত খান সাফু; ড্যান্সার ও ড্যান্স কোরিওগ্রাফার ইভান শাহরিয়ার সোহাগ; বিউটিশিয়ান ফারজানা মুন্নী এবং সংগীত শিল্পী স্বপ্নীল সজীব।

রঙ শুধুমাত্র একটি উপাদান নয়, নয় শুধু নাম, এটি একটি স্বপ্ন, যার রূপকার একজন শিল্পী। দুই চোখ ভরা স্বপ্ন নিয়ে রঙ তুলির কাজ অনেকেই করে থাকে। কিন্তু তা যদি বৈচিত্র্যের আলোড়ন তোলে, বদলে দেয় ফ্যাশন জগতের চালচিত্র তখনই তা হয়ে ওঠে, “বিশ্বরঙ বাই বিপ্লব সাহা”- যার প্রতিপাদ্য হচ্ছে “আমার বিশ্ব, আমার রঙ, রঙই এখন বিশ্বরঙ।”  আজ প্রিয়লেখার অতিথিকথনে  আমরা  তুলে ধরতে চলেছি জনপ্রিয় ফ্যাশন ডিজাইনার, বিশ্বরঙ এর কর্ণধার বিপ্লব সাহার মুঠোফোন কথনের কিছু অংশ। 

নমস্কার কেমন আছেন?

জি ভালো আছি।

সামনে  দুর্গাপুজো – নিশ্চয়ই অনেক ব্যস্ত।

ব্যস্ততা এতটাই মাঝে মাঝে মনে হয় নিজের জন্যেই সময় নেই। এই যেমন এখন গাড়িতে অফিস যাওয়ার পথে আপনার সাথে কথা বলছি।

সাফল্যের অপর নামই তো ব্যস্ততা, তবু তার ফাঁকে আমাদের যে সময় দিয়েছেন, তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। আপনার সাম্প্রতিক সময়ের সাফল্য থেকেই শুরু করছি। সম্প্রতি একটি অ্যাওয়ার্ড পেলেন। সে সম্পর্কে কিছু বলুন।

এই অ্যাওয়ার্ডটি আসলে লন্ডন আর বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে দেয়া হয়েছে। মূলত তরুণ প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করতে এই সংস্থার সিইও নারায়ণগঞ্জকে বদলে দেয়ার উদ্দেশ্যে বা নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যকে সবার সামনে তুলে ধরতে যারা ভালো কাজ করছেন তাদের সাথে এই প্রজন্মের পরিচয় করিয়ে দিতে চাইছিলেন। তাদের কাজের প্রভাব যেন শুধু নারায়ণগঞ্জ নয় বরং পুরো বাংলাদেশ এবং পুরো পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে সেই চিন্তা থেকে ৯ জন উদ্যোক্তাকে মনোনীত করেন তারা। ২৭শে আগস্ট নারায়ণগঞ্জ ক্লাবের এক অনুষ্ঠানে ‘ড্যান্ডি পাওয়ার অ্যান্ড ইনফ্লুয়েন্স-২০১৭’ আয়োজিত ইন্টারপ্রিনিইউরিয়াল বিজনেস সাকসেস অ্যাওয়ার্ড তুলে দেয়া হয় আমার হাতে।

 

আপনি একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছেন যার নাম ‘শারদ সাজে দিদি’। এই অনুষ্ঠানের চিন্তাটা কিভাবে মাথায় এলো?

আমি গত চার বছর ধরে এই প্রতিযোগিতাটির আয়োজন করছি। এটি কোন সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা নয়। দুর্গা পূজা উপলক্ষে এটির আয়োজন করা হয়। আসলে দুর্গা তো দশভূজা। আর এখনকার দুর্গারা অনেক বেশি প্রতিভাবান হন। একজন নারী একা হাতে ঘর সামলানো, কাজ সামলানো, বাচ্চার দায়িত্ব নেয়া, স্বামীর খেয়াল রাখা, নাচতে পারা, গাইতে পারা, পুরো পৃথিবীর সব কিছুতেই অবদান রাখতে পারার ক্ষমতা রাখেন। সেই ক্ষমতা তুলে ধরতেই বিশ্বরঙের পক্ষ থেকে ‘শারদ সাজে দিদি’ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা। সব বয়সী নারীরা এখানে অংশগ্রহণ করতে পারেন। এমন কোন কথা নেই যে প্রতিযোগীকে অবশ্যই টিনেজার হতে হবে। বাচ্চা থেকে বৃদ্ধা পর্যন্ত যে কেউ এখানে অংশগ্রহণ করতে পারেন। তাদের ছবি দেখে, যোগ্যতা যাচাই করে সেরা দশজনকে নিয়ে বনানী পূজা মণ্ডপে সপ্তমীর দিন গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিজয়ী নির্বাচিত করব। এর মধ্যে গ্রুম আপ, ছবি তোলা এগুলো তো চলতেই থাকবে। এ বছর আমাদের টেলিভিশন পার্টনার থাকছে মাছরাঙ্গা টেলিভিশন।

রঙের সৃষ্টি সম্পর্কে কিছু বলুন।

১৯৯৪ সালের ২০ই ডিসেম্বর সর্বপ্রথম ফ্যাশন হাউজ ‘রঙ’ এর সৃষ্টি করি আমি, মামুন, সৌমিক ও বাবু আমরা চারজন মিলে। সে সময় মাত্র চারুকলার পেইন্টিং ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থী আমি। কিছু একটা করার স্বপ্ন থেকে নারায়ণগঞ্জের চাষাড়া’য় সান্ত্বনা মার্কেটে ১০০ স্কয়ার ফুটের একটি দোকান নিয়ে যাত্রা শুরু করি ‘রঙ’ এর।

ফ্যাশন হাউস ‘রঙ’ এর বর্তমান অবস্থা কি?

আপনাদের সকলের জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি ‘রঙ’ বলে আসলে কিছু নেই আর। আইনী জটিলতার কারনে ‘রঙ’ এর নাম পরিবর্তনে বাধ্য হয়েছি। এখন আপনারা আমাকে খুঁজে পাবেন ‘বিশ্ব রঙ’ এ। কবিগুরুর সেই চির প্রেরণা- “রঙ যেন মোর মর্মে লাগে, আমার সকল কর্মে লাগে”। এই বাণীকে বিশ্বময় ছড়িয়ে দিতে, ২০১৫ সালে আমরা শুরু করি বর্তমান “বিশ্ব রঙ বাই বিপ্লব সাহা” যার ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম, খুলনা এবং সিলেটে ১৪টি আউটলেট রয়েছে।

‘বিশ্বরঙ’ বাই বিপ্লব সাহা – বর্তমানে কোন প্রোডাক্ট লাইন নিয়ে কাজ করছে?

আমরা সচরাচর নিজস্ব ব্র্যান্ড নিয়েই কাজ করে থাকি। তার মধ্যে বর্তমান জেনারেশনের ফ্যাশন সেন্সকে মূল্যায়িত করতে রয়েছে “ফেইস রঙ”। সংসারে বসবাস করছে, নিজেদের বিজ্ঞতার ছায়া দিচ্ছে যে শ্রদ্ধাভাজনেরা, তাদের সম্মাননা জানাতে রয়েছে “শ্রদ্ধা”।

এবার আসা যাক ব্যক্তি বিপ্লব সাহায়। সার্বক্ষণিক ব্যস্ততার মাঝে পরিবারকে কিভাবে সময় দেন?

পরিবারকে আসলে আলাদা করে সময় দেয়ার মতো কিছু নেই, তারা সবাই কাজেরই অংশ হয়ে গেছে। আমার স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে আমাকে অনেক সাপোর্ট দেয়। আমার ব্যস্ততাটা ওরাও এখন উপভোগ করতে শিখে গেছে। যেহেতু আমার পক্ষে সময় দেয়াটা সম্ভব হয়ে ওঠে না, তাই ওরাই অফিসে চলে আসে আমাকে সময় দিতে। ছেলে সম্পদ সাহার বয়স এখন ৯ বছর আর মেয়ে উর্ষশী সাহার বয়স ৪। সম্পদ পড়ছে থ্রিতে আর মেয়ে কেজি ওয়ানে। স্ত্রী শম্পা সাহাই ওদের দেখাশোনা করে।

বিশ্বরঙের ‘লাইলি মজনু’ কনসেপ্টে নায়করাজ রাজ্জাকের ছবি দেখলাম।

নায়করাজ রাজ্জাক আমাদের সাথে বেশ কিছু কাজ করেছেন। ‘লাইলি মজনু’র কনসেপ্টটি ছিল মূলত পহেলা বৈশাখের জন্য। পূর্বসূরিদের শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাতে ভুলে গেছি আমরা। বরঞ্চ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে আন্দোলন করে শিল্পীদের মধ্যকার শৈল্পিক সত্ত্বাটিই যেন নষ্ট হতে বসেছে। সুন্দর কিছু সৃষ্টি হচ্ছে না এখন। তাই আমাদের এই ইভেন্টটির নাম রাখা হয় ‘ঐতিহ্যে বাংলা সিনেমা’। এর মাধ্যমে আমাদের ঐতিহ্যবাহী বাংলা সিনেমাগুলোর কথা তুলে ধরা হয়। তিন বছরের একটি প্রজেক্ট হাতে নিই আমরা। ‘মুখ ও মুখোশ’ থেকে শুরু করে একদম বর্তমান সময় পর্যন্ত সিনেমাজগতকে তুলে ধরার চেষ্টা করি আমরা। সেখানে আমাদের সাথে উপস্থিত ছিলেন চিত্রনায়ক রাজ্জাক। তার প্রথম ছবি ছিল ‘বেহুলা’। আমরা সেই ‘বেহুলা’, ‘লাইলি মজনু’, ‘জীবন থেকে নেয়া’এসব ছবির গান বা বিভিন্ন দৃশ্য থেকে কস্টিউম বানিয়েছি। ‘লাইলি মজনু’র যে ছবিটি আপনারা দেখেছেন সেটি তার বাসা থেকেই নেয়া।

রাজ্জাক আংকেল প্রথম আমার মডেল হয়েছিলেন আরও দশ বছর আগে। তার সাথে আমার পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে। তার ছেলেরা আমার বন্ধুর মতোই। যমুনা ফিউচার পার্কে তিনি প্রথমবার র‍্যাম্পে হাঁটেন। এটা আসলে অনেক বড় একটি ইতিহাস। আমাদের সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রী দীপু মনির সাথে র‍্যাম্পে হাঁটেন তিনি। আরটিভিতে আমাদের একটি মডেল হান্ট কনটেস্টে আমরা আংকেলের গানের সাথে প্রতিযোগীদের পারফর্ম করতে বলি। ওখানে রাজ্জাক আংকেলের আসার কথা ছিল কিন্তু তখনই প্রথমবারের মতো অসুস্থ হন তিনি।

‘বিশ্বরঙ’ নিয়ে যে সিনেমাটি হচ্ছে সে সম্পর্কে কিছু বলুন।

‘বিশ্ব’রঙ’ নিয়ে কোন সিনেমা হচ্ছে না, এটি আসলে এক ধরনের ব্র্যান্ডিং। প্রচার-প্রচারণার স্বার্থে আমরা সিনেমার ভাষাটি ব্যবহার করেছিলাম। খুব সহজেই এই ভাষাটি সবাই বুঝতে পারে। অনেকে মনে করছেন আমি বোধহয় সিনেমা বানাচ্ছি, পরিচালনা-প্রযোজনায় নামছি। আসলে এরকম কিছুই হচ্ছে না। আমাদের একটি প্রজেক্ট ছিল ‘ঐতিহ্যে বাংলা সিনেমা’। এই প্রজেক্টটির জন্য পুরোপুরি বাংলা সিনেমার আদলে আমাদের কাজগুলো এগোচ্ছিল, যার ধারাবাহিকতায় বানানো হয় পোস্টারটি। গত বৈশাখের ঘটনা এটি।

আপনাকে তো গান গাইতেও দেখা যাচ্ছে। এ ব্যাপারে আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি?

আমি আসলে গান গাই নিজের জন্য। যারা আমার সাথে গায়, তারা আমাকে ভালবেসেই গায়। এটা আসলে একেবারেই নিজের জন্য, ছোটবেলা থেকেই গান জিনিসটা সবসময় আমার সাথে আছে।

আপনার কি অ্যালবাম বের হচ্ছে কোন?

অ্যালবাম বের হচ্ছে একটা। তাতে চারটা রবীন্দ্র সঙ্গীত থাকছে। আরও বেশ কিছু গান থাকছে। কাজ চলছে এটার। মৌলিক গানও থাকছে কিছু, কণা থাকছে আমার সাথে। সময় পাই না তো তেমন একটা, তাই আসলে কাজ শেষ হতে দেরি হচ্ছে।

গত ঈদে রূপান্তর নামক একটি রিয়্যালিটি শোর বিচারক হয়েছিলেন আপনি। কেমন ছিল সেই অভিজ্ঞতাটা?

সামিয়া রহমান যখন আমাকে বিচারক হওয়ার জন্য আহ্বান জানালেন তখন আমার বেশ ভালো লেগেছিল। মফস্বল শহরের বা গ্রামের অনেক যোগ্যতাসম্পন্ন মেয়ে থাকে যারা বিয়ের পর বা একটা নির্দিষ্ট বয়সে ঝরে যায়। এই অনুষ্ঠানে এমন কিছু মেয়ের প্রতিভা তুলে এনেছিলেন সামিয়া রহমান, সাথে বেশ অনেকটা সময় ধরে ছিলাম আমি এবং কানিজ আলমাস খান। লাক্স চ্যানেল আইয়ের মতো সৌন্দর্য প্রতিযোগিতাগুলো তো আমরা দেখে থাকি, কিন্তু গত ঈদে দেশের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে থাকা এমন প্রতিভাগুলোর দেখা পেয়ে আমার খুব ভালো লেগেছিল। আমাদের দেশে তো এমন প্ল্যাটফর্ম খুব কম, যখন যে এমন উদ্যোগ নেয়ার চেষ্টা করে তখন তার সাথে থাকার চেষ্টা করি। একজনও যদি এসব অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উঠে আসতে পারে তাহলেই আমরা সার্থক।

চারুকলাকে ঘিরে কোন স্মৃতির কথা কি মনে পড়ে?

যতদিন বাঁচবো ততদিন চারুকলার প্রতি কৃতজ্ঞতা রেখেই বাঁচবো। নারায়ণগঞ্জের ছোট এলাকা থেকে বেরিয়ে আজ যে আমি এখানে সাক্ষাৎকার দিচ্ছি তার পিছনে পুরো অবদানটাই কিন্তু চারুকলার। চারুকলায় পড়ার কারণেই আমার আকাশটা অনেক বড় হয়ে গিয়েছে, দেখতে পাচ্ছি অনেক বিশালভাবে আর অনেক কিছু শিখতে পেরেছি শিক্ষকদের কাছ থেকে। বিপাশা হায়াতের সাথে সেখানেই আমার পরিচয়, আমরা ভালো বন্ধু।

যারা নতুন ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে আসতে চাইছে তাদের জন্য আপনার কোন বিশেষ দিক নির্দেশনা রয়েছে কি?

নতুনরা যারা ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে মডেল হিসেবে আসতে চায় তাদের জন্য রয়েছে আমাদের গ্রুমিং ইন্সটিটিউট ‘Qubic’, যারা ফ্যাশন ডিজাইনার হিসেবে আসতে চায় তারা বিশ্ব রঙ ফ্যান ক্লাব, ওয়েবসাইট, মডেল স্টেশনে সিভি ও ছবি ড্রপ করতে পারে। নতুনদের সুযোগ দিতে আমরা সব সময়ই সচেষ্ট।

ভবিষ্যতে ‘বিশ্বরঙ- বাই বিপ্লব সাহা’ কি দেশ জয় করে দেশের বাইরে মানুষের হৃদয়ে ও মাটিতে জায়গা করে নেবে?

কেউ যদি বিশ্বরঙ এর সঙ্গী হতে চায়, দেশের বাইরে আউটলেট খুলতে চায় তবে আমরা তার সাথে কাজ করতে সবসময়ই আগ্রহী।

বিশেষ কৃতজ্ঞতাঃ ফারুক উজ্জামান ফারুক, বিশ্বরঙ

Loading...