গ্রাফিক ডিজাইনারদের জন্য সেরা দশটি মনিটর - প্রিয়লেখা

গ্রাফিক ডিজাইনারদের জন্য সেরা দশটি মনিটর

Afreen Houqe
Published: March 14, 2020

২০২০ সালে গ্রাফিক্স ডিজাইনেরদের জন্য সেরা দশটি মনিটর

প্রযুক্তির বিশ্ব আর সে বিশ্বে তার ব্যবহার ছড়িয়ে পরেছে নিঃসন্দেহে। নানা ধরেনর পণ্যের সমারোহ তো থাকছেই আর তার সাথে সাথে রয়েছে ভিন্ন ধারার ক্রেতা চাহিদা। অডিও বা ভিডিও যে ধরনের পণ্যই হোক মান নির্ণয় করে ক্রেতারা তাদের চাহিদা পূরণে এগিয়ে আছে সর্বত্র। আর এই অনেক ধরনের পণ্যের মাঝে যেমন আছে সাধারণ কিছু ,অন্যদিকে আছে প্রফেশনালদের জন্য বিশেষ ফিচার সম্পন্ন পণ্য। উদাহরণ দেবার বেলায় বলতে পারি আমার হেভি বেইজড অডিও চাই আর অনেকেই আবার খুব সফট সাউন্ড পছন্দ করেন। একই ভাবে ডিসপ্লের ক্ষেত্রেও টাকা দিয়ে আপনি এমন একটি ডিসপ্লে কিনতে চাইবেন সবসময় যেটি কিনা কালার এবং ডিজাইনে অনন্য হবে। আর আরেকদিকে এক্সপার্টরা এমন একটি ডিসপ্লে চাইবেন যা দিয়ে আপনার ক্রিয়েটিভ ফিল্ডের কাজগুলো নিখুত ভাবে পর্দায় ফুটে উঠবে। প্রযুক্তির নতুন সংস্করণে তাই বোধহয় যুক্ত হয়েছে 4K রেজুল্যাশন মনিটর। বাজার সমীক্ষায় এখন পর্যন্ত সেরা এই পণ্য। আর ক্রিয়েটিভ কাজের জন্য তো অবশ্যই একে সেরা উপাধি দেয়াই যায়।

গ্রাফিক ডিজাইনাররা বেশিরভাগ নির্ভর করে 4K রেজুল্যাশন মনিটর, বিশাল স্ক্রিন সুবিধা, কাজের খুঁটিনাটি , ব্যবহারে সহজ সব মিলিয়েই তাদের মনের মত একটি প্রডাক্ট হাতের নাগালে থাকায় ,তাদের আগ্রহের সীমা নেই এই 4K মনিটরের প্রতি। বাজারে হাজার রকম নানা সাইজের মনিটর এর ভিড়ে একজন গ্রাফিক ডিজাইনার কোন মনিটর ব্যবহার করতে পারবেন নিজের কাজের সুবিধার জন্য সেটি নিয়েই আজকে আলোচনা করবো। কেবল তাই নয় সেরা কোন মনিটর আপনি ব্যবহার করতে পারেন একজন ডিজাইনার হিসেবে সেটিও তুলে ধরবো বিস্তারিত ভাবে।

চলুন তাহলে দেখি বর্তমান বাজারে গ্রাফিক ডিজাইনারদের জন্য সেরা দশটি মনিটর।

 

ইজো কালার এজ 4K (EIZO Color Edge 4K)

ইজো কালার এজ 4K সর্বাধিক পছন্দের তালিকায় ডিজাইনারদের। এটি বাজারে আসে ২০১৮ সালের ৫ই এপ্রিল। কালার এজ ফিচার এজ 4K নিয়ে এসেছে চারগুণ বেশী কালার রেজুল্যাশন  4096 x 2160 সহ সাথে থাকছে ফুল এইচডি ডিসপ্লে, আরও থাকছে 149 PPI পিক্সেল ডেনসিটি যাতে আপনি কাজে করে পাবেন সম্পূর্ণ সচ্ছতা।ইজো অটো সেলফ সেলিব্রেশন সেন্সর এ এর মাধ্যমে আপনি পাচ্ছেন অটোমেটেড মনিটর কালার সেলিব্রেশন সুবিধা, সেই সাথে থাকবে মনিটর কালার ন্যাভিগেটর ৬ এবং এনেক্স সফটওয়্যার। ফিচারে থাকছে 4096 x 2160 রেজুল্যাশন, 1,500:1 কন্ট্রাস্ট রেশিও, নয় মিলিসেকেন্ড রেসপন্স টাইম ও  350 cd/m² ব্রাইটনেস রেটিং। ইজো কভার করে ১০০% রেক, ৭০৯,ইএমইউ, আরজিবি কালার স্পেস এর SMPTE-C ৯৯% স্ট্যান্ডার্ড বজায় রেখে। ইজো কালার এজ 4K এর সাথে আপনি যা যা পাচ্ছেন টা হলও ডিসপ্লে পোর্ট, এইচডি এমাই ইনপুট যা কিনা ব্যবহার করতে পারবেন যে কোন কনফিগারেশন এর কম্পিউটারে।

 

ডেল আলট্রাশার্প আপ৩২১৬কিউ (DELL Ultra sharp UP3216Q)

এবার কথা বলবো ৩১.৫ ইঞ্চি ডেল আলট্রাশার্প আপ ৩২১৬ কিউ নিয়ে।

বেস্ট হাই এন্ড মনিটর পাওয়ার হাউস ডেল আলট্রাশার্প আপ ৩২১৬ কিউ। ৩১.৫ ইঞ্চি এই মনিটরে থাকছে কমফোর্টেবল ভিউ সহ ডিসপ্লে পোর্ট মিনি ডিসপ্লে পোর্ট এবং একটি এইচডিএমাই। আর সাথে ৯৯% আরজিবি কভারেজ এডিশন এস ১০০% আরজিবি। ১০০% রেক ৭০৯, DCI-P3 কালার স্পেস পাচ্ছেন ৮৭%, এক কথায় এটি সুপ্রিম কোয়ালিটির একটি মনিটর।

 

ফিলিপ্স ব্রিলিয়ান্স বিডিএম৪০৬৫ইউসি (Philips Brilliance BDM4350UC)

ডেল আলট্রাশার্প আপ৩২১৬কিউ এর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ফিলিপ্স ব্রিলিয়ান্স বিডিএম৪০৬৫ইউসি কে ধরেই নেয়া যায়। এই মনিটরে আছে ৯৯% আরজিবি কালার কভারেজ চাইলে আপনি নিজের ইচ্ছানুযায়ী সেটিকে এডজাস্ট করতে পারবেন। ভেসা কম্পিট্যাবল সুবিধা সরূপ আপনি পাবেন 100mm x 100mm ওয়াল মাউন্ত কিট। যার অর্থাৎ আপনি চাইলে দেয়ালেও ফিট করতে পারবেন এই মনিটর। অন্য যে কোন ডিভাইসে কানেকশন পেতে পাবেন ডিপি ইন এবং ডিপি আউট পোর্ট। এনার্জি স্টার কোয়ালিফিকেশন, ইপিট গোল্ড রেটিং, টেক সারটিফিকেশন গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের জন্য সত্যি লোভনীয় একটি মনিটর।

 

এসার প্রিডাটর (Acer predator xb273k)

এসার প্রিডাটর মনিটর দিচ্ছে UHD 3840 x 2160 রেজুল্যাশন, আর সেই সাথে 100,000,000:1 ডায়নামিক কন্ট্রাস্ট রেশিও, ব্রাইটনেস লেভেল আপটু 300 cd/m রেটিং ২। 1.07 বিলিয়ন কালার সাপোর্ট করতে এটি সর্বনিম্ন সময় নেয় মাত্র ৪ মিলি সেকেন্ড। যে কোন এঙ্গেল থেকে আপনি পাবেন একদম স্পষ্ট ভিউ আর আইপিএস ইন প্লেন সুইচ প্যানেল তো থাকছেই। পাওয়ার কঞ্জাপশন সহজলভ্য ব্যবহার এর জন্যও এই মনিটর থাকতে পারে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের পছন্দের তালিকায়। এই মনিটরের সাথে পাবেন ডিভিআই ক্যাবল, একটি এইচডি এমাই ক্যাবল, একটি ডিসপ্লে পোর্ট ক্যাবল ও একটি পাওয়ার কর্ড।

 

আসুস প্রোআর্ট প্রি এ৩২৯কিউ (Asus Pro Art Pre A 329 Q)

আসুস প্রো আর্ট প্রিএ৩২৯কিউ আরেকটি জনপ্রিয় মনিটর।

৩২ ইঞ্চি এই মনিটরটি ৯৫% এডবে আরজিবি কালার কভারেজ স্পেস দিয়ে থাকে, ১০০%রেক এবং ৭০৯ কালার কভারেজ তো আছেই। আসুস প্রআর্ট মূলত তৈরি করা হয়েছে ডিজাইনার, ফটোগ্রাফার এবং গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের কাজের সুবিধার কথা মাথায় রেখে, আর সেকারণেই  এটির সাথে রাখা হয়েছে ১০ বিট আইপিএল প্যানেল, আর এটির মাধ্যমে আপনি ১৬ বিট কালার লুক আপ সাপোর্ট পাবেন। ২ এইচডিএমাই ডিসপ্লে পোর্ট ডিসিআই-পি৩ কালার স্পেকট্রাম সাপোর্ট করে থাকে এই মনিটরে। ৩২ ইঞ্চি মনিটর যার রেজুল্যাশন 3840 x 2160  , রেসপন্স টাইম ৫ মিলি সেকেন্ড, আর ব্রাইটনেস 350 cd/m² যাতে থাকছে নো গ্লেয়ার স্ক্রিন, ডিজাইনিং এর জন্য এরচেয়ে ভালো আর কি হতে পারে?

 

বেঙ্কিউ পিডি৩২০০ইউ (BenQ PD3200U)

বেঙ্কিউ পিডি৩২০০ইউ ৩২ ইঞ্চি আইপিএস মনিটর স্ক্রিন যার কন্ট্রাস্ট রেশিও 1,000:1 , সাপোর্ট করবে ১০০% আরজিবি কালার মোড। ওয়াইড স্ক্রিন থাকার কারণে এই মনিটরে আপনি সাচ্ছন্দে করতে পারবেন ৪কে ইমেজ বা থ্রিডি যে কোন কাজ খুব সহজেই। 3840 x 2160 রেজুল্যাশন এর সাথে সাথে এই মনিটরটি ১০০%রেক ৭০৯ সাপোর্ট করছে ,আর ডেডিকেটেড এনিমেশন,  ডার্ক রুম , ক্যাড/ক্যাম মোডও কাজ করবে সে সাথে। এই মনিটর এর ব্যবহার সহজ করার জন্য আরও রাখা হয়েছে ডুয়েল ভিউ সাপোর্ট যার মাধ্যমে আপনি চাওয়া মাত্র এস আরজিবি এবং ক্যাড/ক্যামের মোড একটি অন্যটির সাথে যুক্ত করতে পারবেন। 1.07 বিলিয়ন কালার সাপোর্ট যার রেপন্স রেট মাত্র ৪ মিলিসেকেন্ড। খেলার ছলে এই মনিটরে আপনি ৪কে ইমেজ হোক বা ভিডিও এডিটিং করতে পারবেন নিমিষেই।

 

স্যামসাং ইউ২৮ই৫৯০ডি (Samsung U28E590D)

 

২৮ ইঞ্চি স্যামসাং ইউ২৮ই৫৯০ডি আরও একধাপ আগিয়ে আছে পছন্দের তালিকায় গ্রাফিক ডিজাইন এবং ফটোগ্রাফির কাজের জন্য। স্লিক ডিজাইন, মনিটর  8.3 বিলিয়ন পিক্সেল সাপোর্ট করে রেজুল্যাশন রয়েছে 3840 x 2160 আর স্ট্যাটিক কন্ট্রাস্ট রেশিও 1,000:1। সবথেকে কম রেসপন্স টাইম এই মনিটরে মাত্র ১ মিলি সেকেন্ড, ১০০% কালার কভারেজ দিতে সক্ষম এস আরজিবি মোড আর ব্রাইটনিং এর জন্য। আপনার মনের মত একটি মনিটর। এর সাথে রয়েছে টুইস্টটেড নেমেটিক ডিসপ্লে টেকনোলজি গেমাররা পাচ্ছেন এডিএম ফ্রি সিঙ্ক ।এই 4K মনিটর আপনার ব্যবহার উপযোগী সব দিক দিয়েই।

 

লিয়ামা বি২৮৮৮বিএইচএসিউ (Iiyama b2888uhsu)

বাজেট মনিটর অভিজ্ঞতা হিসেবে থাকছে লিয়ামা বি ২৮৮৮ বিএইচএসিউ।

এতক্ষণ যেসব মনিটর এর কথা আমরা তুলে ধরলাম সেসব মনিটর এর সাথে এর তুলনা হয়না, এই মনিটরের নিজস্ব বিশিষ্টতা আছে। বাজেট মূল্যের মধ্যেই আপনি মাত্র এক মিলি সেকেন্ড রেসপন্স টাইম পাচ্ছেন যা আছে স্যামসাং ইউ২৮ই৫৯০ডিতে (Samsung U28E590D)। এই মনিটরে আরও থাকছে পিকচার টু পিকচার মোড যার ফলে এর ব্যবহার হয়ে উঠে নিখুত এবং স্বচ্ছ। এর ফিচারিং রেজুল্যাশন 3840 x 2160, সাথে থাকবে টু ডিসপ্লে পোর্ট, একটি মিনি ডিসপ্লে পোর্ট, একটি ভিজিএ, একটি ডিভিআই পোর্ট,এবং চারটি ইউএসবি ৩.০ পোর্ট।

 

এসার বি২৬৭এইচকে (Acer B267HK)

২৭ ইঞ্চি ৪কে আলট্রা এইচডি স্ক্রিন যার রেজুল্যাশন  3840 x 2160 , এসার বি২৬৭এইচকে আরও একটি জনপ্রিয় মনিটর গ্রাফিক ডিজাইন, ফটো এডিটিং এবং ভিডিও এডিটিং এর জন্য। যে কোন ভ্যারিয়েশন কম্পিউটার এর সাথে মানানসই এই মনিটর এ প্রফেশনাল কালার সাপোর্ট এর সাথে থাকছে এমেইচএল, ডিভিআই, এবং ডিসপ্লে পোর্ট। ফাইব হাই স্পিডের এই মনিটর এর সাথে পাবেন ৩.৫ ইউএসবি পোর্ট। যেকোনো ডিজাইনার ফটোগ্রাফার বা গ্রাফিক ডিজাইনারের কাজ সহজ করার জন্য এই মনিটর একদম যুতসই।

 

এলজি ২৭ইউডি৬৮ডাব্লিউ (LG 27UD68W)

এলজির 4K মনিটর, প্রতিযোগিতার বাজারে এলজি ২৭ইউডি৬৮ডাব্লিউ আরও একটি মনিটর যাকে এড়িয়ে যাওয়া যায়না। ফ্রি সিঙ্ক এএমডি সাথে আছে কভারেজ এসআরজিবি ৯৯%, এলজি মনিটরে আপনি পাবেন মনিটর কন্ট্রোলে সুবিধা স্ক্রিন ফাকশনের উপরও কাজ করতে পারবেন। আর এর ফলে একজন ডিজাইনার বা ফটো গ্রাফার নিজের ইচ্ছামত কাজ করতে পারবেন খুব সহজে।

 

এনইসি মালটিসিঙ্ক (NEC Multisync)

টপ মনিটর এর তালিকায় নতুন এনিসি মালটিসিঙ্ক যার কথা না বললেই নয়। পাঁচটি পিকচার মোড কন্ট্রোল সহ এই মনিটরে আছে সুপিরিয়র কোয়ালিটি ভিউ ফিচার। আরও আছে Spectraview II software and NEC custom X-Rite i1 ডিসপ্লে, সেই সাথে প্র বেসড কালারমিটার যা দিয়ে কালার কারেকশন এর কাজ করতে পারবেন। 4K যত মনিটর নিয়ে আজ আলোচনা করলাম আমরা, সবকটিই গ্রাফিক ডিজাইনার বা ফটো এডিটিং কাজে যুক্ত সবার জন্যই খুবই বেশ উপকারী হতে পারে।

আপনার বাজেট এবং পছন্দের মনিটর পেতে বেছে নিতে পারেন আপনার কাজ উপযোগী যে কোন একটি।

গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের কি 4K মনিটর কতটা প্রয়োজন?

গ্রাফিক্স ডিজাইন এর জন্য আপনার এমন একটি মনিটর প্রয়োজন যেটি আপনার কাজের প্রতিটি অংশ নিখুত ভাবে তুলে ধরে আপনার কাজটিকে একটি আকর্ষণীয় পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে। আর সেক্ষেত্রে UHD 4K মনিটর যার রেজুল্যাশন 3840 x 2160 অবশ্যই আপনার কাজে ভিন্নমাত্রা যোগ করতে প্রয়োজনীয় একটি ভূমিকা বহন করবে।

গেমিং মনিটর দিয়ে গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ করা যায় কিনা?

আইপিএস প্যানেল কিন্তু একটি ভালো গ্রাফিক ডিজাইন মনিটর। ফাস্ট মুভিং ক্যাপাসিটি স্মুথ ডিটেইল সম্পন্ন হয়ে থাকে গেমিং স্ক্রিন গুলো, কিছু লিমিটেশন তো আছেই কালার একুরেসি বা ভিউইং এর ক্ষেত্রে । তবে অন্যান্য দিক থেকে হিসেব করলে গেমিং মনিটর দিয়ে চাইলেই কাজ করা যেতে পারে।

২৭ ইঞ্চি মনিটর কি তুলনামূলক ছোট গ্রাফিক্স ডিজাইনিং এর জন্য?

এডজাস্ট করে নেয়ার মত ফ্রিকুয়েন্সি তো আছেই ২৭ ইঞ্চি মনিটরে,তুলনা করলে ডাইমেনশন স্ক্রিন রেজুল্যাশন  খারাপ না।

২৭ ইঞ্চি 4K মনিটর কি সাশ্রয়ী?

বর্তমান বাজারে একটি 4K মনিটর এর দামের সাথে নন 4K মনিটরের দামের খুব একটা পার্থক্য নেই। আপনি যদি ভিডিও এডিটিং বা ইমেজ এডিটিং এর কাজ করতে চান  তাহলে আপনাকে 4K রেজুল্যাশন মনিটর দিয়ে কাজ করতে হবে যাতে আপনি আপনার কাজটিকে সুন্দর এবং নিখুত ভাবে তুলে ধরতে চান। আর আমার মনে হয় আপনার কাজের প্রেক্ষাপটে এটি সাশ্রয়ী।

কার্ভ মনিটর কি ব্যবহার উপযোগী একজন ডিজাইনারের জন্য?

আপনি যদি গেমার হন বা ডিজাইনার, এডিটর এবং অনেক সময়ের জন্য ব্যবহার করে থাকেন মনিটর তাহলে আমার মতে কার্ভ মনিটর আপনার কাজের উপযোগী নয়।

মনিটর কেনার আগে অনলাইনে যেমন বিডিস্টল.কম থেকে মনিটরের প্রাইস দেখে নিতে পারেন