ভিডিও এডিটর হিসেবে নিজের ইউটিউব চ্যানেল কিভাবে তৈরি করবেন ? - প্রিয়লেখা

ভিডিও এডিটর হিসেবে নিজের ইউটিউব চ্যানেল কিভাবে তৈরি করবেন ?

Afreen Houqe
Published: February 4, 2020

বিষয়বস্তু

  • আপনার ভালো লাগার কাজগুলো করুন
  • প্রস্তাবিত শক্তিশালী ভিডিও
  • উপযুক্ত সময় দেখুন
  • আপনার প্রতিভা প্রদর্শন করুন
  • ইউটিউবারদের সাথে যোগাযোগ স্থাপনে সহযোগিতা নিন
  • প্রতিভা নিয়ে কাজ করুন
  • কিভাবে ভিডিও করবেন থাম্বনেইল এবং টাইটেল

কিভাবে নিজের ইউটিউব চ্যানেল বানাবেন?

ইউটিউব এখন এই যুগে যেন এক তুমুল বিস্ফোরন ঘটিয়েছে প্রযুক্তি ব্যবহারে। যেকোনো ব্যবসা প্রচার, বড় ছোট যাই হোক, কিংবা ব্যাক্তিগত প্রতিভা অথবা হতে পারে কারিগরি শিক্ষা সবকিছুর একটি মাধ্যম ইউটিউব । যেখানে খুব সহজেই আপনি আপনার ভিডিও প্রদর্শন করতে পারবেন।

আপনি যদি একজন ফ্রিল্যান্সার হয়ে থাকেন তাহলে এই যুগে আপনার অবশ্যই ইউটিউব চ্যানেল থাকা চাই। এটি হতে পারে আপনার কাজের সবথেকে বড় প্ল্যাটফর্ম।

ভিডিও মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবেন? অন্যরা কিভাবে ইউটিউব ব্যবহার করছে? নতুন ইউটিউবার হিসেবে কতটুকু গ্রহণযোগ্যতা আছে আপনার? যেহেতু ইউটিউব এখন সবচেয়ে আলোচিত ও জনবহুল একটি ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম।

আসুন দেখি কিভাবে নিজের ব্যাক্তিগত ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করা যায়।

এমন কিছু করুন যা আপনি করতে ভালবাসেন

শুনতে খুবই গতানুগতিক লাগছে, আর এজন্যই আমি এই বিষয়ে খুব বেশী গুরুত্ব দিচ্ছিনা। কথা হল রাতারাতি ইউটিউব এ সফলতা আসেনা এটির জন্য যথেষ্ট সময় দরকার। আপনি ঘণ্টা, মাস, প্রয়োজনে বছর পর্যন্ত সময় দিন ইউটিউব এর আকর্ষিক দিকটা বুঝুন।

একজন ভিডিও এডিটর হিসেবে হয়তো আপনি শর্ট ফিল্ম বা বিয়ের ভিডিও বা গানের মিউজিক ভিডিও বানিয়ে থাকতে পারেন আবার এমন হতে পারে এটি আপনার ভালোলাগার কাজ সেজন্যই করছেন। যদি মনে করেন বিয়ের ভিডিও করে আপনি আনন্দ পাচ্ছেন সেটাই নাহয় করুন।

ভালোলাগার কাজটা করলে আপনার আগ্রহ থাকবে আর কাজটি করতে পারবেন আনন্দের সাথে, একঘেয়ামি ব্যপারটা কাজ করবেনা নিজের মধ্যে। আর একটি ব্যাপার খেয়াল করবেন, যে কাজটির প্রতি আপনার ভালবাসা আছে সে কাজে আপনি আশানুরূপ ফল না পেলেও কিন্তু আপনার আগ্রহে ভাটা পরবে না কখনো।

আপনি হয়তো ভাবছেন খুব সহজেই এই মাধ্যম আপনাকে অনেক টাকার মুখ দেখাবে যা  হয়তো আপনার ধারনার সাথে নাও মিলতে পারে তাই এমন কিছুর সাথে নিজেকে যুক্ত করা কখনোই উচিত নয়। অবশ্যই আপনার আর্থিক আয়ের উৎস নিয়ে ভাবার প্রয়োজন আছে তবে সেটি যদি হয় আপনার পছন্দের কাজে করে সেটি আপনার জন্যই সুবিধাজনক হবে। যে কাজটি আপনি ভালবাসেন সেই কাজটি আপনার সবথেকে বড় দুর্বলতা আর সেই কাজে সফলতা আসবে আপনার হাতেই, এটুকু ভরসা রাখুন নিজের উপরে।

প্রস্তাবিত শক্তিশালী ভিডিও (suggested)

যদি আপনার একটি ইউটিউব চ্যনেল থেকে থাকে তাহলে আপনি দেখে থাকবেন আপনার সর্বচ্চ ভিউ আসে ইউটিউব প্রস্তাবিত ভিডিও প্রচার মাধ্যম থেকে। সার্চ করার জন্য কিন্তু না।

আপনি যদি ইউটিউব সাজেসটেড ভিডিওর মধ্যে নিজের চ্যানেল কে রাখতে সক্ষম হন তবে আপনিও হাজার হাজার ভিউয়ার পেয়ে যাবেন খুব সহজে।

আমার ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে আমি যতটা জেনেছি যে আপনার একটি খুবই সাধারণ ভিডিওকে আপনি আপনার সাজেসটেড সিলেকশন সেকশনের মাধ্যমে প্রচার করতে পারবেন দ্রুততার সাথে।

আপনার প্রতিযোগীর ভিডিওগুলো দেখুন তার করা ভিডিও গুলোতে সবথেকে বেশী ভিউ পাওয়া ভিডিও গুলো বেছে নিন। নিজস্ব কন্টেন্ট খুঁজে বের করে আপনার নিজস্বতা বজায় রেখে সে ধরনের ভিডিও তৈরি করার চেষ্টা করুন।

এতে করে আপনার তৈরি করা ভিডিওগুলো সর্বাধিক ভিউ পাবার সুযোগ করতে পারবে।

সময়ের দিকে নজর রাখুন

ইউটিউবে কাজের ক্ষেত্রে এটি নতুন বা গোপন কোন ব্যাপার না যে তারা চায় তাদের কাছেই সবথেকে বেশী সময় দর্শক থাকুক। সবথেকে বেশী সময়ের জন্য তাদের সাথে যুক্ত রাখার বিষয়টি তারা নিজেরাই স্বীকার করেছে অকপটে, তারা চায় দর্শক তাদের সাথে অন্যন্য মাধ্যমের থেকে বেশী সময় ধরে থাকুক।

আর সেকারণেই তারা পর্যবেক্ষণ করে থাকে আপনার ভিডিওটি কতবার ক্লিক করা হয়েছে এবং কত সময়ের জন্য দর্শক আপনার ভিডিওটি দেখেছে। তবে সবচেয়ে ভালো হয় আপনার ভিডিও কতবার ক্লিক হলও তারথেকে কতটুকু সময় আপনি দর্শক আটকে রাখতে পারলেন সেই বিষয়টি।

বেশী সময় ধরে দেখা ভিডিওগুলো সর্বাধিক হারে ইউটিউব কে আকৃষ্ট করে থাকে। এখন প্রশ্ন থাকে কি করে আপনি নিজের ভিডিও সবচেয়ে বেশী সময়ের জন্য ভিউয়ার এর নজরে তুলে ধরতে চান।

খুব অল্পে উত্তর একটি ভালো ভিডিও যথেষ্ট এটি করার জন্য। ভালো ভিডিও কি?

প্রথম এবং সবচেয়ে জরুরি আপনার ভিডিওর শুরুটা (intro) যেন ভালো হয়।

অল্প সময়ের মধ্যে ভূমিকা তৈরি করবেন (পনেরো সেকেন্ডের ভিতরে) কোন ভাবেই যাতে শুরুটা বাধাগ্রস্থ না হয়।

ইন্ট্রো (Intro) এমন ভাবে তৈরি করবেন যাতে দর্শক জানতে চায় এরপর আপনি কি বলতে বা করতে চাচ্ছেন এতে করে তারা ভিডিওটি দেখতে আগ্রহী হয়ে উঠবে।

পনেরো সেকেন্ড যদি তাদের আটকে রাখতে না পারেন তাহলে সেটি আপনার জন্য ভয়াবহ ব্যাপার,আর সেকারণেই শুরুটা সবচেয়ে গুরুত্ব দিয়ে করার চেষ্টা করবেন।

আবার বলতে হয় আমার অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি ছোট ভূমিকার ভিডিওগুলো সবথেকে জনপ্রিয়তা পেয়েছে, আর ভিডিওগুলোর টুকিটাকি বিষয়গুলো উত্তেজনা সৃষ্টি করতে সফল হয়েছে । এটিকেও কিন্তু আপনি কাজে লাগাতে পারেন।

আরেকটি ব্যাপার ও লক্ষ রাখবেন ভিডিওর সময়ের দীর্ঘতা। লম্বা ভিডিওগুলো সল্প সময়ের ভিডিওগুলোর সাথে টিকে থাকতে একটু সমস্যায় পরতে পারে। দশ মিনিটের মধ্যেই কিন্তু আমরা একটি ভিডিওর মধ্যে কি বার্তা আছে সেটি বুঝে ফেলতে পারি।

আপনার প্রতিভা দেখান

হতে পারে খুব কম সংখ্যক ভিউয়ায় কে আপনি আপনার ক্লায়েন্ট হিসেবে চাইছেন।সেক্ষেত্রে আপনাকে দেখাতে হবে আপনি কোন কাজটায় সবথেকে ভালো। দেখা গেল আপনি ভিডিওর কালার গ্র্যাডিং এর কাজটি খুব ভালো পারেন, আবার হতে পারে আপনি এমন ভিডিও বানাতে পারেন যেখানে খুব সুন্দর সুন্দর ছোট গল্পের মাধ্যমে উপস্থাপন করা যায়। সেই ভিডিও বানান যে ভিডিওগুলো মানুষ দেখবে আগ্রহ নিয়ে। আপনি দেখাতে পারেন দর্শককে আপনি কিভাবে একটি ভিডিও ধারণ করছেন, কিংবা এডিটর হয়ে কি কি কাজগুলো করছেন আপনার ইন্সটাগ্রামের জন্য, কিংবা যাই করছেন একজন ভিডিও এডিটর হিসেবে। হতে পারে আপনার জন্য করা কোন আগের ভিডিওর কাজটি আপনার ক্লায়েন্ট আপনাকে দিয়ে করাতে চাইছে। যাইহোক আপনার ভিডিও কতবার বিক্রি হলও একজন ক্লায়েন্টের জন্য সেটি কখনো বড় ব্যাপার না, আপনার দক্ষতা থাকলে ক্লায়েন্ট আপনার কাজের জন্যই আপনাকে মূল্যায়ন করবে।

ইউটিউবারদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন ও সহায়তা

ব্যাক্তিগত পর্যায়ে ইউটিউব এ চ্যানেল তৈরির বেলায় খুব জরুরি হল আপনার সহযোগিতায় অন্য ইউটিউবার সহায়তা করতে এগিয়ে আসা যেহেতু আপনি একদম নতুন এখানে।


নতুন ইউটিউবার হিসেবে তাদের সহায়তায় আপনি অল্প সময়ের মধ্যেই ভিউয়ারকে আকর্ষিত করতে পারবেন আশা করা যায়। একারণে আপনি আপনার সাহায্যের জন্য তাদের সাথে কাজ করতে পারেন যার ফলে তাদের ও কিছুটা সহায়তা পেয়ে যাবেন একে অন্যের প্রচারের মাধ্যমে। একে অন্যের জন্য কাজ করবেন প্রচার এর জন্য। খেয়াল রাখবেন চ্যানেল প্রসারিত করবার ক্ষেত্রে অন্যদের চ্যানেল যেন আপনার চ্যানেলের সমপর্যায় থাকে। যদি ভিউ কাউনট এবং সাবস্ক্রাইব এ বিশাল ব্যবধান থাকে তাহলে খেয়াল রাখতে হবে একে অন্যের জন্য যদি লাভবান না হতে পারেন একই পর্যায়ে তাহলে সেটি কোন কাজেই আসবেনা।

প্রতিভাবান হন

কোন সন্দেহ নেই ভিডিও এডিটিং এর কাজটি খুবই প্রতিভার পেশা। এখানে সব কিছুই আপনার নিজের মত করে উপস্থাপন করতে হয়, একটি সাধারণ ভিডিওকে আপনি আকর্ষণীয় করে তুলে পারেন, ব্যাক্তিগত দৃষ্টিকোণ  দিয়ে কাজ করার মাধ্যম এটি।

মজার ব্যাপার হল এই কাজে আপনাকে কোন নিয়মের মধ্যে থাকতে হয়না। এখানে আপনি ততটা সময় নিয়ে কাজ করতে পারবেন যতক্ষণ পর্যন্ত আপনার কাজকে আপনার ভালো না লাগছে। একটি উদাহরণ দেই তাহলে বুঝতে পারবেন

কিছুদিন আগে একজন ইউটিউবার “This guy edits” (আপনারা হয়তো তার চ্যানেল দেখে থাকবেন) সে একটি প্রতিযোগিতা আয়োজন করে যেখানে সে ভিডিও এডিটরদের কে বলে “The Ever After” মুভির কিছু অংশ কাটার কথা। সবাইকে একই রকম ফুটেজ দেয়া হয় কিন্তু তারপর  এর ফলাফল একদম ভিন্ন ভাবে উঠে আসে। প্রত্যেকের ভিডিও আলাদা আলাদা কারণ প্রত্যেকের ভাবনাগুলো তাদের মত করে আলাদা এবং প্রতিভার প্রকাশ ও একেক রকম । সবারই এডিটিং এ নিজস্ব এডিটিং স্টাইল আছে।

তাই করুন যা আপনি করতে চান।

অন্যকে কপি করবেন না নিজের মত করে ভিডিও তৈরি করুন।

স্বাভাবিক অন্যের ভালো কাজ আপনাকে আকৃষ্ট করে আপনাকে অনুপ্রাণিত করে, কিন্তু আপনি নিজের মত করে কাজ করুন আপনার কাজে নিজস্বতা ধরে রাখুন।

আপনার ইউটিউব ভিডিওতে নিজস্বতা এবং আপনার কাজের প্রতিভার প্রতিফলন দেখানো উচিত।

এভাবেই আপনি আপনার দর্শকের সাথে সম্পর্ক ধরে রাখতে পারবেন, আর এভাবেই দর্শক আপনাকে তাদের সাথে সম্পৃক্ত করতে পারবে।

কিভাবে ভিডিও করবেন ?

আগেই আলোচনা করলাম ভিডিও এডিটিং কতটা প্রতিভাপূর্ণ কাজ আর কিভাবে আপনার প্রতিভা কাজে লাগাতে পারবেন, কিন্তু সব কাজেই কিন্তু কিছুটা কারিগরি দক্ষতা এবং জ্ঞান থাকা চাই এটা মেনে নিতে হবে। কারিগরি, শিক্ষা, পর্যাপ্ত  জ্ঞানের ত্রুটি কাজের সফলতা আনতে পারেনা।

 যেহেতু আমরা ভিডিও এডিটিং ইউটিউব নিয়ে কথা বলছি সেজন্য আপনাকে অবশ্যই সফটওয়্যার এর কাজ জানতে হবে।

আপনাকে এফেক্টস, ট্রানজিশন, জে কাটস, এল কাটস, কেঁপে যাওয়া ভিডিও স্থির করা, গ্রীন স্ক্রিন, কালার গ্রেড এবং অন্য সব কাজ জানতে হবে।

কারিগরি অনেক বিষয় আছে যেগুলো জানা থাকা অত্যাবশক ভিডিও এডিটিং এর কাজে। যদি আপনি এসব বিষয়ে অজ্ঞ হয়ে থাকেন তাহলে শিক্ষণীয় ভিডিও যেমন আপনি শিখাতে পারবেন এমন কিছু নিয়েও ইউটিউব চ্যানেল ভিডিও দিতে পারেন। ধরুন ভিডিও এডিটিং এর পেছনের কাজগুলো সফটওয়্যার সংক্রান্ত, প্রিমিয়ার প্র, ফাইনাল কাট অথবা ভিঞ্চি কোড সমাধানের ভিডিও বানালে একদম মন্দ হয়না।

প্রাথমিক পর্যায়ের ভিডিও যুক্ত করা যেতে পারে এই ক্যাটাগরিতে।

ফিল্মমেকিং এর কাজ কিন্তু ভিডিও এডিটিং নিয়েই হয়ে থাকে হাতে হাতে, আপনি ভিডিওগ্রাফি জানলে আপনি চাইলে আপনার ক্যামেরা তার ল্যান্স অন্যান্য উপকরণ নিয়েও রিভিউ ভিডিও বানাতে পারেন।

থাম্বনেইল এবং টাইটেল

আপনার করা ভিডিওর টাইটেল এবং থাম্বনেইল ইমেজ ততটা গুরুত্বপূর্ণ  যতটা আপনার বিষয়বস্তু (কন্টেন্ট)।

আপনার ভিডিওতে যদি ক্লিক না পরে তাহলে ইউটিউব আপনার ভিডিও রিকমেনড করবে না নতুনদের জন্য তাদের নিয়মঅনুযায়ী।

আপনার টাইটেল আর থাম্বনেইল লোভনীয় হতে হবে আকর্ষণীও হতে হবে।

যখন কোন দর্শক একটি ভালো টাইটেল এবং থাম্বনেইল দেখবে তারা সেই ভিডিও তে কি আছে তা দেখার জন্য আকর্ষণবোধ করে এবং ভিডিওতে ক্লিক করে।

আমি বলতে চাইছি আপনার টাইটেল এবং থাম্বনেইল যেন লোভনীয় হয় যাতে দর্শক ক্লিক করতে আগ্রহী হয় কিন্তু ভুল ভাবে উপস্থাপন না নয়। সেটি অবশ্যই ভালভাবে উপস্থাপিত হতে হবে দর্শকের চোখে ।

টাইটেলের সাথে যাতে ভিডিওর সামঞ্জস্যতা বজায় থাকে। যতটা লোভনীয় ভাবে তুলে ধরা যায় তত ভালো।

তাই যতটা সম্ভব থাম্বনেইল ইমেজের কাজটি গুরুত্ব সহকারে করুন যাতে সেটি দেখতে দৃষ্টি নন্দন হয় আকর্ষণীয় হয়। আপনি অনেক অ্যাপের মাধ্যমেও এডিটিং এর কাজগুলো করতে পারবেন। প্রচুর পরিমাণে অ্যাপ আছে যা আপনাকে সাহায্য করবে কাজ করতে।

আপনার যদি মনে হয় আপনার কাজে ঘাটতি আছে তাহলে নামকরা অনেক ভালো ভালো ইউটিউবার আছেন তাদের কাজ দেখুন তারা সাংঘাতিক ভালো কাজ করে যাচ্ছে।

আপনাকে বলছি

আমাদের পক্ষ থেকে আজ এটুকুই ।

আমরা চেষ্টা করেছি আমাদের স্বল্প জ্ঞানের মাধ্যমে আপনাদের একটু সহায়তা করতে। আমরা বিশ্বাস করি আপনাদের কঠোর, পরিশ্রম, কারিগরি দক্ষতা কাজে লাগালে আপনার ইউটিউব চ্যানেল অবশ্যই জনপ্রিয় হবে।

আপনি তাই করুন যা আপনি করতে ভালবাসেন, আপনার একটি নিজস্ব ব্র্যান্ড তৈরি করুন ইউটিউবে, লেগে থাকুন সাফল্য আসবেই।