একটি ভালো ইউজার ইন্টারফেস তৈরি করতে কি প্রয়োজন? UI এর ১৩ টি নীতি - প্রিয়লেখা

একটি ভালো ইউজার ইন্টারফেস তৈরি করতে কি প্রয়োজন? UI এর ১৩ টি নীতি

Afreen Houqe
Published: February 7, 2020

একটি ভালো ইউজার ইন্টারফেস কি?

একটি ভালো ইউজার ইন্টারফেসের ১৩ টি নীতিমালা

১। স্বচ্ছ এবং স্বজ্ঞাত ব্যবহারযোগ্য ন্যাভিগেশন

২। স্রোতা নির্ধারণ

৩। দৃঢ়তা বজায় রাখা

৪। ইউজার একশনে স্বচ্ছতা

৫। কাছাকাছি পর্যায়ের UI উপাদান

৬। এপ স্ক্রিনে প্রধান নির্দেশ

৭। প্রথম শারির আকর্ষণীয়তা বজায় রাখা

৮। মানুষের জন্য ডিজাইন তৈরি

৯। ইউজার ইন্টারফেস উৎসাহদান

১০। সব কিছু সহজেই ব্যাবহার যোগ্য বা প্রবেশযোগ্য

১১। অতিরিক্ত টিপস এবং ট্রিকস

১২। ইঙ্গিত বা সঙ্কেত এর সীমিত ব্যবহার

১৩। ডিজাইনের মানসম্মতা বজায় রাখা

 

একটি ভালো ইন্টারফেসের সংজ্ঞা কি? UI ডিজাইনে ১৩ টি নীতি

ক্রিয়েটিভ ভিজুয়ালস নাকি আকর্ষণীয় লোগো ডিজাইন কিংবা ইনট্রিকেট এনিমেশন? একটি ইউজার ইন্টারফেসকে কিভাবে সুন্দর সাবলীল বানানো যায়?

একটি কার্যকরী UI( ইউজার ইন্টারফেস) এর অর্থ খুবই অস্পষ্ট আবার কখনো বলা হয়ে থাকে স্বচ্ছ, ব্যবহার উপযোগী হলে এটি খুবই স্পষ্ট। আসলেই কি তাই?

যদি আপনি আইটি সেক্টর এ থেকে থাকেন তাহলে এটি খুবই জটিল বিষয় আউটসোর্সিং এর ক্ষেত্রে।

তবে মূলনীতি জানা থাকলে ব্যাবহার উপযোগী ইউজার ইন্টারফেসকে আপনি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে ধারণ করতে সক্ষম হবেন যা কিনা সবার জন্যই ব্যাবহার উপযোগী হয়ে উঠতে পারে আর ভালো গ্রাহক পেতেও আপনাকে সাহায্য করবে।

আর এ কারণেই এই প্রযুক্তির যুগে নিজেকে সীমায় আবদ্ধ না  রেখে  ইউজার ইন্টারফেসের মত তথ্য প্রযুক্তির  নতুন নতুন দ্বিকবিজয়ি আবিষ্কারকে সাদরে গ্রহণ এবং ব্যবহার করে আমরাও পায়ে পায়ে তাল মিলিয়ে এগিয়ে চলি প্রযুক্তির সাথে।

 

ইউজার ইন্টারফেস কি? (User Interface/UI)

মোবাইল/ডেস্কটপ অ্যাপ্লিকেশন হোক, হার্ডওয়্যার হোক কিংবা সফটওয়্যার,যে কোন কিছুর আউটলুক কেমন হবে তা জানতে হলে আমাদের অবশ্যই জানা লাগবে ইউজার ইন্টারফেইস সংক্ষেপে ইউআই। (User Interface/UI)

কোন অ্যাপের প্রাথমিক চেহারাই (Primary Outlook) হচ্ছে ইউআই বা ইউজার ইন্টারফেস।

একটি ভালো ইউজার ইন্টারফেসের মূলনীতিতে যাবার আগে আমাদের টু ওয়ার্ড ডেফিনেশন এর পিছনে লুকায়িত সংজ্ঞা জানতে হবে।

UI মানেই কিন্তু আকর্ষণীয় ভিজুয়ালস ডিজাইনের উপাদানকেই বুঝানো হয়না। ইউজার ইন্টারফেসের মাধ্যমে ব্যাবহারকারী এবং পণ্যের সম্পর্ক স্থাপন করাই মূল উদ্দেশ্য।

এমন ও নয় আপনি কি রং ব্যাবহার করবেন বা কোন বাটন রাখবেন। এটির একমাত্র লক্ষ সঠিক ভিজুয়াল এর মাধ্যমে ট্যাকনিক্যাল টাস্ক সম্পন্ন করা।

সিংহভাগ ব্যাবহারকারী কখনোই সফটওয়্যার এবং ব্যাক এন্ড নিয়ে চিন্তা করেনা যখন সে একটি এপ বা ওয়েবসাইট ব্যাবহার করে।

আর একটি ইউজার ইন্টারফেস স্বচ্ছ এবং সঠিক বার্তা বহন করার মত সহজ হওয়া উচিত ব্যাবহারকারীদের জন্য, যার ফলে তাদের চাহিদা তাদের টেকনিক্যাল চাওয়া বাস্তবায়ন করতেও সক্ষম হয়। আর একারণেই এটি খুবই প্রয়োজনীয় জেনে রাখা আপনি আপনার বেস্ট কাজটি করছেন কিনা।

 

একটি ভালো ইন্টারফেসের জন্য ১৩ টি নীতি                                                                    

 

 স্বচ্ছ বোধগম্য (intuitive) ইউজার ন্যাভিগেশন

মেইন ম্যানু কোথায় ? আপনি নিজেকে কি কখনো এই প্রশ্ন করেছেন, তাহলে আপনি অবশ্যই নিম্মমানের ইন্টারফেস ব্যাবহার করেছেন।

কিছুক্ষণের জন্য এটি ভিজিবল থাকে গ্রাহকদের কাছে, তবে অনেক সময় ব্যাবহারকারীদের সমস্যা তৈরি না করে ইনভিজিবল রাখা যেতে পারে।

একটি গুনগত মানসম্মত ইন্টারফেসের ক্ষেত্রে অবশ্যই শুধুমাত্র স্বচ্ছ এবং প্রয়োজনীয় তথ্য রাখা উচিত।

একটি ভালো মানের ইউজার ইন্টারফেসের সবসময় ব্যাবহারকারীকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে।

যেমন ধরুন, একটি বাড়ি ভাড়া সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে কখনোই অগোছালো অপ্রয়োজনীয় বাটন ম্যানু ভিজুয়াল এলিমেনটস রেখে ব্যবহারকারীর কাছে বিরক্তির কারণ হবে না।  শুধুমাত্র তাদের দেয়া অফার এবং বাড়ি ভাড়া সংক্রান্ত জরুরি বিষয় টুকুকেই প্রাধান্য দিয়ে তারা ব্যবহারকারী ধরে রাখার চেষ্টা করে।

এইভাবে খুব কম সময়ে সঠিক পদ্ধতি ব্যবহারে আপনি আপনার কাজটি কার্যকর করতে পারেন।

শ্রোতা নির্ধারণ

একটি ডিজিটাল পণ্য ব্যাবহার করার সময় সেটি যদি সহজ ও স্বচ্ছ মনে হয় ভেবে নিতে হবে ব্যাবহারকারী ধারণ করবার মত অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

একটি ওয়েব সাইট বা মোবাইল এপের কাজ ব্যবহারকারীর জন্য কঠিন জায়গা গুলোকে সহজ করে তোলা, যেটি আপনার পক্ষে একরকম করা অসম্ভব হয়ে পরবে যদি আপনি নিজে এধরনের এপ্লিকেশন ব্যবহার না করে থাকেন।

প্রাথমিক ও গভীর  বাজার পর্যালোচনারভার মাধ্যমে একই ধরনের পণ্যের অবস্থা এবং ব্যবহার ভোক্তার চাহিদা বুঝে সেটির প্রয়োগ একটি ভালো ইউজার ইন্টারফেসের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে থাকে।

যার ফলে ভোক্তার চাহিদা সে কি চাইছে সেটি বুঝে ভোক্তার কাজটি সহজ করে দেয়াই এপ ইন্টারফেসের  প্রধান লক্ষ ।

দৃঢ়তা একমাত্র চাবি

সমস্যা হলও একটি ভালো ইউজার ইন্টারফেসের অধ্যবসায়ের অভাব।

এক্ষেত্রে লক্ষ রাখতে এর রং আইকন ফন্টস ম্যানু বাটন এ কিভাবে সাজানো যায়।

আর এ ব্যাপারটি আরও কঠিন হয়ে যায় একজন ডিজাইনার এর জন্য কোন পরিবর্তন আনার সময় যখন তার প্রথম ব্যবহার করা ভার্শনটি আর ব্যবহৃত হয়না।

উন্নত ডিজিটাল সমাধান কখনোই ব্যবহারকারীদের প্রচণ্ড অবাক করেনা। এর বদলে তারা ইউয়াই ডিজাইনে সমন্বয় ধরে রাখার জন্য ব্র্যান্ড বুকস এবং কোম্পানি গাইড ব্যবহার করে থাকে।

ইউজার একশনে স্বচ্ছতা

যখনই আপনি ইউজার ইন্টারফেসের বাটন ক্লিক করবেন স্বাভাবিক ভাবেই আপনার আশা থাকবে সেখানে কোন মন্তব্য থাকবে, সেটি যদি না থেকে থাকে তবে ব্যবহারকারীর কাছে সেটি ব্যবহার অনুপযোগী হিসবেই গণ্য হবে। এটিও কিন্তু একজন ইউয়াই ডিজাইনারের ব্যর্থতা যদি সে ক্রেতা বা ভোক্তার কাছে সেটি স্বচ্ছ ভাবে তুলে ধরতে অক্ষম হয়।

একটি ভালো ইন্টারফেসে ক্লিক করার সাথে সাথে ম্যানু বারে কালার, এনিমেশন, ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা এটি ব্যবহারের উপকারিতা কতটা সহজ স্বচ্ছ সেটি প্রকাশ পেয়ে থাকে।

 

কাছাকাছি পর্যায়ের UI উপাদান

আপনি হয়তো একবার দুবার সংজ্ঞাবহ (intuitive) ডিজাইন এর কথা শুনে থাকতে পারেন এবং এর এন্ড ইজারদের কাছে এটি তৈরির প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কেও জেনে থাকবেন।

এর অর্থ যখন কেউ সফটওয়্যার ওপেন করবে বা প্রবেশ করবে ব্যবহারের জন্য তখন তারা কি চাইছে সেটি বুঝতে সমস্যা হবেনা। এক কথায় বলা যায় কি করতে হবে সেটি বুঝতে ব্যবহারকারীকে কোন কষ্ট করতে হবেনা।

অ্যাপ স্ক্রিনের প্রধান নির্দেশ

অনেক সময় অনেক অদক্ষ ডিজাইনার একটি ভুল করে থাকেন আর সেটি হলও একটি সিঙ্গেল স্ক্রিনে তারা সব দেখিয়ে ফেলতে চান।

ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী ক্রয়ের সুবিধার জন্য যেকোনো তথ্য পেয়ে গেলে সেটি কিন্তু অভিভূত করে একজন ক্রেতাকে পছন্দসই পণ্য ক্রয় করতে। এমনকি একজন গ্রাহক কিংবা ভোক্তা কি চাইছে সেটির সঠিক তথ্য পেয়ে গেলে ব্যবহার উপযোগীও মনে হয়।

আপনার ভিজুয়ালস এর মাধ্যমে ক্রেতা ভোক্তা দর্শক সঠিক তথ্য দিক নির্দেশনা পেয়ে গেলে ধরে নিতে হবে আপনি একজন সফল ইউআই ডিজাইনার।

মূল আকর্ষণ

অন্য সবকিছুকে বাদ দিয়ে তুলনা করলে ব্যাপারটি একটু জটিল।

একটি ব্রান্ড এর প্রতিফলন ব্যাক্তিত্ব তুলে ধরা হয়ে থাকে একটি ভালো ইউজার ইন্টারফেসের মাধ্যমে।

বাটন, কালার, ব্র্যান্ড, ভিজুয়ালস এলিমেনটস একটা ইউনিক ব্র্যান্ড উপাস্থাপন করে।

কখনো এমন হতে পারে একদলের কাছে এটি আকর্ষণীয় লাগলেও অন্যদলের কাছে আকর্ষণীয় নাও লাগতে পারে।

আর এ কারণেই একিটি ইউজার ইন্টারফেসের ভিত্তি হতে হবে অধ্যবসায় নির্ভরশীল।

আর ভোক্তার দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী একটি ইউজার ইন্টারফেসের কার্যকারিতার বহিঃপ্রকাশ অবশ্যই থাকা উচিত ভিজুয়ালস এফেকটস এর মাধ্যমে।

বিখ্যাত বা জনপ্রিয় ইউআই কখনো কালারফুল ভিজুয়াল ব্যবহার করেনা কারণ এটির কোন প্রয়োজনীয়তা নেই আক্ষরিক অর্থে।

 

ডিজাইন মানুষের জন্য বানানো

মানুষ মাত্রই ভুল করে থাকে এটি খুবই স্বাভাবিক ঘটনা ,আর এ বিষয়টি বিবেচনা করলে দেখা যায় অনেকসময় ব্যবহারকারীও ভুল করে থাকেন।

একটি ইউজার ইন্টারফেস এমন ভাবে তৈরি হওয়া উচিত যাতে করে খুব সহজেই মুল বার্তার ব্যাপারটি বুঝে নেয়া যায়।

যদি একজন ব্যবহারকারী তার একটি জরুরি ফাইল ডিলেট করে ফেলেন ভুলবশত? তাহলে সেটি পুনরুদ্ধার করবার একটি পদ্ধতি থাকা উচিত।

এভাবেই ভুলবশত কিছু ঘটে গেলে একজন ব্যবহারকারী যখন সেটি আবার ফেরত পেয়ে যান তখন এই ব্যপারটি লক্ষ রেখেই তার ইউজার ইন্টারফেস ব্যবহার করতে অনীহা ও অনাগ্রহ তৈরি হবার সম্ভাবনা থাকেনা।

প্রতিক্রিয়াশীল ইউজার ইন্টারফেস

ব্যবহারকারী ভবিষ্যতে কি চাইছেন এটি অনুমান করা কিন্তু মোটেও সহজ কাজ না, আর এই কাজটি সফলতার সাথে করা হয়ে থাকে ডিজিটাল সমাধান প্রয়োগ করে।

তারা শুধুমাত্র প্রগতি এবং প্রতিক্রিয়াশীল দূরদৃষ্টি প্রয়োগের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর চাহিদা বুঝে নিতে পারেন।

উদাহরণ হিসেবে ই কমার্স সেক্টরই দেখুন।

অবসর বা ছুটি চলছে এমন সময় একজন গ্রাহক বা ক্রেতা হয়তো কোন উপহার সামগ্রী খুজছে, একজন ডিজাইনারের প্রধান কাজ হলও ভোক্তার চাওয়া বা চাহিদা বুঝে তার পছন্দ অনুযায়ী পণ্য খুজে পেতে সাহায্য করা।

লক্ষে পৌঁছানোর একমাত্র উপায় হলও ব্যনার এর সঠিক উপস্থাপন যেখানে মেইন পেইজে ঢুকলেই সম্ভাব্য সকল উপহার পণ্য এক সাথেই পাওয়া যায়।

একটি ইউআই ডিজাইনের সফলতা তখনই আসে যখন এটিতে প্রতিক্রিয়াশীল ভিজুয়ালস সতর্কতার সাথে উপস্থাপন করা হয়।

সহজে ব্যবহার উপযোগী

ব্যবহারকারীরা এখন নিজেদের কাজ সহজ করবার জন্যই ইউজার ইন্টারফেসের শরণাপন্ন হন। আর একারণেই ইউজার ইন্টারফেসে সব সময় ট্যাব শর্ট কাট টুল কিট দ্বারা সহযোগিতা প্রদানে এটি ব্যবহারে আগ্রহী করে তুলে।

প্রয়োজনীয় এলিমেনটস এটিকে আরও সুন্দর স্বচ্ছ ও ব্যবহার উপযোগী বানায়।

যেমন, একটি এপ ছবি আপলোড করার কাজ করে থাকে। তাহলে সেটি এমন হওয়া উচিত যাতে করে ছবি এডিট, ক্রপ , রোটেট করার সুবিধা এখানেই পাওয়া যায়।

একজন ডিজাইনারের প্রধান এবং মূল লক্ষ হলও এমন একটি ইউজার ইন্টারফেস তৈরি করা যেখানে প্রথম প্রবেশ করেই একজন গ্রাহক ক্রেতা বা ভোক্তা সহজেই ফিচার এর মাধ্যমে তার কাঙ্খিত পণ্য, বা তথ্য পেতে সফল হন বিনা পরিশ্রমে স্বল্প সময়ের মধ্যেই।

অতিরিক্ত টিপস এবং ট্রিকস

ব্যবহারকারীর প্রয়োজন ধারণ বুঝে সেটিকে একই সময়ে উপস্থাপন করাটা খুবই জটিল কাজ।

সৌভাগ্যক্রমে ভালো ইউজার ইন্টারফেসের মাধ্যমে এটি এখন অনেকটাই সহজতর হওয়া সম্ভব।

আপনার সৃজনশীল ভাবনার সুবাদে আপনি গ্রাহকের সামনে তাদের চাহিদা তুলে ধরতে সক্ষম হবেন।

এখানে সেখানে টিপস গুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে না রেখে আপনি হভার টুলটিপস এ তথ্য রাখতে পারেন যাতে করে ব্যবহারকারী সহজেই এপ ব্যবহারের সুবাদে এর কার্যকারিতা জানতে পারে।

সীমিত ইঙ্গিত (gesture) ব্যবহার

সয়াইপিং, ট্যাপিং, বা ভয়েস কমান্ড সবই একজন ক্রেতার চাহিদা পূরণে সহযোগিতা করে থাকে।

এমনকি একটি উজ্জ্বল ধারনা কে সীমিত গেসচার প্রয়োগ করেও সেটি জনপ্রিয় করে তোলা যায়। যেমন ফেসবুক বা whatsapp দেখলেই বুঝবেন যেখানে খুবই সীমিত গেসচার রাখা হয়েছে।

একটি এপ্লিকেশন ব্যবহারের সময় ব্যবহারকারী সেটি ব্যবহার সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারনা থাকা খুবই জরুরি। তারা কি চাইছে এবং এটি ব্যবহারে তারা কি সুবিধা পেতে পারেন সেটিও বুঝতে হবে।

ডিজাইনের মানে সমতা বজায় রাখা

এটি আগেও বলা হয়েছে যে একজন ব্যবহারকারী একটি ইউজার ইন্টারফেসে কি চাইছে সেটি তাকে জানতে হবে।

প্রাথমিক ভাবে মান নির্ণয় এর ক্ষেত্রে  Android by Google এবং iOS by Apple একটি ভালো উদাহরণ।

এভাবেই ইউজার ইন্টারফেস ভুল করে হলেও কোন গ্রাহকের সমস্যা তৈরি করে তার কাজকে কঠিন করে না।

কিছু ধারনা

একটি সৃজনশীল ইউজার ইন্টারফেস বানানো খুবই সহজ।

কার্যকরী এবং ব্যবহার উপযোগী ইন্টারফেস সম্পূর্ণ আলাদা প্রেক্ষাপট।

তাহলে যা শিখলাম সেটিকে আবার একটু মনে করে নেই

 

১। স্বচ্ছ এবং স্বজ্ঞাত ব্যবহারযোগ্য ন্যাভিগেশন

২। স্রোতা নির্ধারণ

৩। দৃঢ়তা বজায় রাখা

৪। ইউজার একশনে স্বচ্ছতা

৫। কাছাকাছি পর্যায়ের UI উপাদান

৬। এপ স্ক্রিনে প্রধান নির্দেশ

৭। প্রথম শারির আকর্ষণীয়তা বজায় রাখা

৮। মানুষের জন্য ডিজাইন তৈরি

৯। ইউজার ইন্টারফেস উৎসাহদান

১০। সব কিছু সহজেই ব্যাবহার যোগ্য বা প্রবেশযোগ্য

১১। অতিরিক্ত টিপস এবং ট্রিকস

১২। ইঙ্গিত বা সঙ্কেত এর সীমিত ব্যবহার

১৩। ডিজাইনের মানসম্মতা বজায় রাখা

এই টিপস গুলো উন্নত ডিজিটাল কোম্পানিগুলো অনুসরণ করে থাকে। যেমন গুগোল ও অ্যাপল।এবং একই সাথে তারা সমস্যা সমাধানে নতুন নতুন  উদ্ভাবন ঘটিয়ে তাদের গ্রাহকদের চাহিদা পূরণে কাজ করে যাচ্ছে।