কোকা কোলার লোগো ইতিহাস আদ্যপান্ত - প্রিয়লেখা

কোকা কোলার লোগো ইতিহাস আদ্যপান্ত

Afreen Houqe
Published: May 28, 2020

 

কোকাকোলা লোগো ইতিহাস আদ্যপান্ত

লোগো নিয়ে কাজ করেন না এমন ডিজাইনার পাওয়া মুশকিল বর্তমান সময়ে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ট্রেডমার্ক বা নাম কিংবা বিজনেস ট্যাগ এর কাজটি পূরণ করে একটি সাবলীল সুন্দর স্বচ্ছ লোগো। আর একটি মাত্র লোগোতে ফুটে উঠে একটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিচ্ছবি। আর সেটি যদি হয় দৃষ্টিনন্দন আকর্ষণীয় তাহলে তো কথাই নেই। লোগো নিয়ে শুধু কাজ করলেই হয়না জানতে হয় যে প্রতিষ্ঠানের লোগো করবেন তার অতীত, বর্তমান ইতিহাস, যার উপর নির্ভর করবে লোগোটি বানাতে আপনার কোন বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হবে। আজকে আমরা এমন একটি লোগো এবং এর পেছনের ইতিহাস নিয়ে কথা বলবো যার মাধ্যমে আপনিও ভবিষ্যতে টুকিটাকি কাজে লাগাতে পারেন, অন্যদিকে একটি প্রডাক্ট লোগো তৈরি করতে কি কি বিষয় নিয়ে কাজ করতে হবে সেটিও মাথায় রাখতে পারবেন। কোকা কোলা সফট ড্রিংক্স হিসেবে চেনেন না এমন মানুষ কোথাও খুজে পাওয়া যাবে বলে আমার মনে হয়না, জ্বি ঠিক ভেবেছেন আজকে আমরা কোকা কোলার লোগো এবং জানবো এর ইতিহাস।

কোকা-কোলা লোগো ডিজাইনের ইতিহাস – ক্লাসিক কোকের লোগো থেকে ইতিহাসে তার অনন্য এক পরিবর্তন।

 

কোকা-কোলা লোগো ডিজাইনের ইতিহাস শুরু হয়েছিলো জন স্টিথ পেমবার্টনের হাত ধরে নিউ ইয়র্ক হারবারে ১৮৮৬ সালে ।

জন পামবার্টনের পরিচয় – জন স্টিথ পেমবার্টন ছিলেন একজন আমেরিকান ফার্মাসিস্ট ছিলেন যিনি কোকা-কোলার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রবর্তক হিসাবে সর্বাধিক পরিচিত।

বিস্ময়কর হলেও সত্যি তার প্রস্তুতকৃত সমস্ত কিছুই ব্যর্থ হয়েছিল ফার্মেসি সেক্টরে।

বলা যায় তার উদ্ভাবিত সকল ওষুধই ছিলও অনুপযুক্ত,তার কোনটিই একটি পয়সাও তৈরি করতে পারেনি ব্যবসায়িক ভাবে।

কিছুদিন এভাবে কেটে যাবার পরে , আটলান্টায় ভ্রমণে বেরিয়ে পরেন পেমবার্টন এবং ওইসময় পেমবার্টন সিদ্ধান্ত নেন তিনি বেভারেজ (পানীয়) বাজারে তার প্রভাব সৃষ্টির চেষ্টা করবেন এইবার।

আর মোদ্দা কথা ছিল, তিনি হাল ছাড়তে চাইলেন না কোনভাবেই !

বছরের পর বছর তার তিনি অসংখ্য পরীক্ষার মাধ্যমে তিনি আবার নতুনত্ব কাজে লাগিয়ে কিছু তৈরির চেষ্টা করেছিলেন।

আর বহু চেষ্টার পরে শেষ পর্যন্ত, তিনি কার্বনেটেড গন্ধযুক্ত একটি ইউনিক ড্রিঙ্ক আবিষ্কার  করেছিলেন যা পানীয়ের বাজারে অনন্য এক পরিবর্তন নিয়ে আসে ।

ব্লেন্ডিং থেকে মিক্সিং প্রতিটি ধাপে তিনি সঠিক স্বাদ ক্যাপচারের জন্য প্রকৃতির বিভিন্ন উপাদান ব্যবহারের মাধ্যমে একটি পণ্য উত্পন্ন করার চেষ্টা করেছিলেন।

সোডা ক্যাসকেড অত্যন্ত বিশালভাবে আমেরিকান জীবনের একটি ঐতিহ্যবাহী বৈশিষ্ট্য হয়ে ওঠে সমস্ত রকম ডিপ্রেশন বা অলসতা অবসাদ প্রতিরোধ করার জন্য প্রতিদিনের জীবন যাপনের তালিকায় সামাজিকতা ও আনন্দের সাথে এই পানীয়র ব্যবহার  করা শুরু হয়ে থাকে।

 

সিরাপ, কাটা বরফ, ঝলমলে কার্বনেটেড পানি কি ছিলো এতে? সবাই এই সুস্বাদু পানীয় তৈরির বাস্তব রূপান্তর ঘটে যাওয়া যাদু মন্ত্র দেখতে এসেছিল সেদিন ।

লোকেরা এই পানীয় নিয়ে কথা বলতে শুরু করেছিল সেদিনের পর , আর পানীয়টি খেয়ে প্রশংসার মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছিলো  যে কিভাবে এই পানীয় তাদের পুনর্জীবিত করে এবং এত ভাল স্বাদের পানীয় তাদের নতুন করে সতেজ করে তুলেছিল।কিছু অদ্ভুত এক শক্তি তো ছিলোই কোকা কোলায়।যা মুহূর্তে অব অবসাদ কাটিয়ে চাঙ্গা করে তুলতো মানুষকে।

আর এই নতুন পানীয়টি বিশ্বজুড়ে প্রিয় হয়ে উঠলো চোখের পলকে, আর আমাদের দেশেও সমানভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠা কোমল পানীয় কোঁকা কোলার কথাই বলছি।

রিফ্রেশমেন্ট এবং বিপ্লবের এই এত বছরে – একজন বন্ধু অন্য বন্ধুকে বন্ধু বলে সম্বোধন করার সাথে সাথে তাকে এও বলে “যদি তুমি অবসরে থাকো বা হতাশায় তবে আমার সাথে বসে কোঁকা কোলা শেয়ার কর”

ধরেই নেয়া যায় তারা কার্বনেটেড যাদুময়ি  পানীয়টি পান করতো শুধুমাত্র তখন যখন তারা কোনও কিছুর জন্য হতাশ বা বিপর্যস্ত অথবা ক্লান্ত হয়ে পরতো।

 

করাল অ্যানাল মারলিং – একজন পপ সংস্কৃত ঐতিহাসিক তারকা  – তিনি পেমবার্টন এর প্রসঙ্গে বলেছিলেন, “তিনি এমন একজন মানুষ ছিলেন যে জীবনযাপনের মূল্যবোধ জানেন এবং সেই মূল্যবোধকে আঁকড়ে ধরেই ছিলেন, তিনি ছিলেন এক আশ্চর্য মানি মেকার ”

তিনি চুলের রং, ওষুধ এবং অন্যান্য অনেক কিছুই তৈরি করার চেষ্টা করেছিলেন তবে সব কিছুতেই তিনি ব্যর্থ হন অবাক বিষয়।

আর এখন? তিনি এই মানি ম্যাকিং ব্র্যান্ডের আইকন হিসাবে পরিচিত।

 

গ্রাহকরা যখন এই নতুন পানীয়টি নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলেন, তখন জ্যাকবের ফার্মাসি এটিকে পাঁচ সেন্টে বিক্রি করেছিল, যা প্রতি গ্লাসে প্রায় ০.০৪ ডলার।

পেম্বার্টনের অংশীদার ফ্রাঙ্ক রবিনসন এই মিক্সিং এর নাম দিয়েছিলেন “কোকা-কোলা” এবং এটি তার আইডিসিঙ্ক্র্যাটিক স্ক্রিপ্টেও লিখেছিলেন, যা এখন বিশ্বে সর্বাধিক জনপ্রিয় একটি পানীয়।

প্রাথমিকভাবে শুরুর দিকে জন বছরে একদিনে মাত্র নয় গ্লাস কোকাকোলা বিক্রি করেছিলেন।

পেমবার্টনের মৃত্যুর পরে আসা গ্রিগস ক্যান্ডলার নামে এক ভদ্রলোক এই ব্যবসাটি বাঁচিয়েছিলেন।

১৮৯১ সালে, গ্রিগস ক্যান্ডলার কোকা-কোলার একমাত্র মালিক হিসাবে পরিণত হন।

এটি বলা হয়ে থাকে যে ১৮৮৮-১৮৯১ সালের মধ্যে আটলান্টা ব্যবসায়ী আসা গ্রিগস ক্যান্ডলার প্রায় ২,৩০০ ডলারে এই ব্যবসায়ের মালিকানা নিয়ে নিয়েছিলেন, যা আজকের হিসাবে প্রায় $৫৬,০০০ ডলার ।

সব কিছু নিজের অধীনে নিয়ে আসার পরে, ক্যান্ডেলার ব্রড ব্র্যান্ডিংয়ের পর্যায়ে গ্রাহকদের কাছে পৌছে দেওয়ার জন্য ডেটবুকস, আর্টওয়ার্কস, নোটপ্যাডস এবং বুকমার্ক সব কিছুতেই  লোগো খুজতে শুরু করেন, আর এরপরেই তিনি কোকা কোলা শব্দটি ব্যবহার করতে আগ্রহী হয়ে উঠেন।

আর এটি ছিল প্রথম পদক্ষেপ যেখানে কোকা কোলাকে স্থানীয় ব্র্যান্ড বলার পরিবর্তে কোকা কোলাকে জাতীয় ব্র্যান্ড হিসেবে পরিচিত করা হয়।

ক্যান্ডলার ছিলেন কোকা-কোলার প্রথম প্রেসিডেন্ট এবং একমাত্র ইমেজ যা মানুষের সামনে উঠে আসে সে সময় । তিনিই সেই ব্যাক্তি যে এই পানীয়টি দিয়ে ব্যবসা শুরু করেছিলেন এবং একে ব্র্যান্ড নেমে পরিণত করেছিলেন।

১৮৮৭ থেকে ১৮৯৩ এর ইতিহাস

পরিপূর্ণ ব্যবসায়িক সফলতা পাবার বছর পরে, প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা এবং সুস্বাদু পানীয় তৈরি করার কাজটি শুরু করেন তিনি নতুনভাবে ।

জন ঠিকসময়েই কোকা-কোলার লোগো ডিজাইন তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যা ব্র্যান্ডের নামটিকে ব্যাক আপ করবে বলে তিনি ধারনা করছিলেন।

এবারো, পামবার্টন তার গোপন অস্ত্র ব্যবহার করবার সিদ্ধান্ত নিলেন আর ফিরে আসলেন তার বিশ্বস্ত ব্যক্তি হিসাবে পরিচিত ফ্র্যাঙ্ক রবিনসন কাছে, টাইমোগ্রাফির শব্দটির সাথে পরিচিত ফ্র্যাঙ্ক রবিনসন কাজটি হাতে নেন।

ফ্রাঙ্কের দুর্দান্ত পেনশনশিপ দক্ষতা কোকাকোলা স্ক্রিপ্ট লোগো ডিজাইন আকারে নতুন এক বিপ্লব সৃষ্টি করতে সফলও হয়।

লোগো ডিজাইন নিয়ে যারা কাজ করেন বা এই ক্ষেত্রে যারা বিশেষজ্ঞ তারা সহজেই লক্ষ্য করতে পারেন বা তুলনা করতে পারেন যে এই লোগো ডিজাইনে “রেজিস্ট্রেশন সিম্বল” এর একটা অভাব রয়েছে।

আমরা জানি যে রেজিস্ট্রেশন সিম্বল না থাকা পুরোপুরি অ আনুষ্ঠানিক একটি পক্রিয়া ।

তবে অবশ্যই বলতে হয় এই মুহুর্তে, লোগোগুলির অসংখ্য পুনরাবৃত্তি তাদের অদৃশ্য ফর্মগুলোতে দেখা গেছে বহুবার।

অনেক শিল্পী বলেছিলেন, “আধুনিক টুলস ব্যবহারের অভাবে লোগোটি শুরু করলেও শেষ করবার পরেও পুনরায় তৈরি করাতে হয়েছিল”

যেহেতু উপরে আলোচিত কোকাকোলা লোগোটি নিয়ে মোটামুটি আলোচনা করলাম বুঝতে নিশ্চয়ই পারছেন কোঁকা কোলার লোগোর পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়েছিল কতটুকু।

 

১৮৯১ সালে, ট্রেড কার্ড লোগোটিকে রিভার্সড করে প্রথম লোগোর সূক্ষ্ম সংস্করণ খুব বিশদ ভাবে দেখানো হয়েছে ।

১৮৯২ সালে, কোকা কোলা লোগো একটি রিভার্স গিয়ার নিয়েছিল,এই সময় ডায়মন্ড এবং টাইপফেসের সাথে ভ্যারিয়েশন আনা হয় এই লোগোতে ।

আর সেই সময় বলাই বাহুল্য এই ব্র্যান্ড ভ্যালু মাথায় রেখেই লোগোটির পরিবর্তন যুক্তিসঙ্গত ছিল ।

 

 

 

আসুন ১৮৯৩ থেকে  ১৯০৪ সালের মধ্যে পরিবর্তন সম্পর্কে কথা বলি

১৮৯৩ সালে, কোকা-কোলা পেটেন্ট অফিস থেকে এটির প্রথম এবং প্রাথমিক ট্রেডমার্ক প্রদান করা হয়, যার মাধ্যমে এটিকে অফিসিয়াল অনুমোদন দেয়া হয়।

অফিসিয়াল ট্রেডমার্ক পাবার পরে, কার্বনেটেড পানীয়ের লোগোটি কিছুটা পরিবর্তন আনা হয় আর নীচে  ট্র্যাডমার্ক শব্দটি ব্যবহার করা শুরু হয়।

অফিসিয়াল অনুমোদন বছর – ১৯০৩ থেকে ১৯৪১

কোকা কোলা প্রথম রেজিস্টার লোগো

১৯০৩ সালে, সরকারী নিবন্ধকরণের পরে, ট্রেডমার্ক রেজিস্টার্ড শব্দটি মূল বর্ণের সি’র সিলেক্ট করে লোগোটির নকশার মধ্যে পরিবর্তন আসা শুরু করে ”

 

যেহেতু এটি নতুন আইনের আউতায় ঘটেছিল সেকারণে  কর্পোরেশন এর নিয়মে তাদের ট্রেডমার্কগুলি পুনরায় রেজিস্টার করার প্রয়োজন হয়।

১৯২০ সালের মাঝামাঝি সময়ে, ড্রিঙ্ক শব্দটিও কোকা কোলা শব্দের উপরে লোগো নকশায় যুক্ত করা হয়।

রেজ এডিশন  (REG. U.S. PAT. OFF) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট অফ। ১৯৪১ থেকে ১৯৬২ সময়কাল

১৯৪১ সালে, ট্রেডমার্কটি নোটিফাইড করেছিলো যে, রেজ এডিশন  (REG. U.S. PAT. OFF) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট অফ থাকা আবশ্যক।

এবার বার্তাটি ছিল এরকম যে এই লোগোর টেক্সট সি এর নীচে নয়, লিখিত শব্দ কোকা কোলার মধ্যে থাকতে হবে।

সিম্পলিফিকেশন ইয়ার  – ১৯৫০

১৯৫০ সালের শুরুতে, ডিজাইনাররা কোকাকোলা লোগো নকশার দিকে নজর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এবং তারা তখন খেয়াল করেন এই লোগোতে কিছু জটিলতা আছে।

সেই সময় লোগোতে আরেকটি মোড় আসে এবং এটির ট্রেড-চিহ্ন টার্ম ® শব্দটি দিয়ে সহজ ভাবে  কিছু আইটেমের জন্য ব্যবহার করা শুরু করে।

আরও ভিজুয়াল ট্রিটমেন্ট ঘটেছিল কি? হ্যা, ঘটেছিল!

কোকা কোলা ব্র্যান্ডিংয়ের ইতিহাস

১৯৫০ এর দশকে, একটি লাল, বড়, গোল সার্কেলের ভিতরে লোগো স্থাপন করা হয়েছিলো, এর পিছনে কারণ ছিল কোকের নতুন আইকনিক বোতলটির নতুন সংস্করণ তুলে ধরা।

আর সেই পরিবর্তন জানতে হলে আপনাকে কোকা কোলা লোগোর আগের ব্যবহৃত ফটো গুলো খুজে বের করে দেখতে হবে, যদি পাওয়া যায়।

 

 

অথবা আপনি পুরনো কোন ম্যাগাজিন বা দেয়াল পত্রিকা বা পোস্টার ভিজ্যুয়ালাইজ করতে পারেন!

 

১৯৯৩ থেকে  ২০০২ এর মধ্যে সবসময় শব্দের সংযুক্তি পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়

 

যদি আরও সাম্প্রতিক ইতিহাসে ফিরে যাই, তাহলে আমরা কোকাকোলা লোগোটির নকশায় অনেক পরিবর্তন দেখতে পাব।

কোকা-কোলা বোতলটিই তার স্পেরিকাল লোগোটি ফিরিয়ে এনেছিল।

যদিও সেভাবে ব্যবহার না করার কারন ছিলও উল্লেখ্য – এটি জনপ্রিয় এবং ব্যবসায় এবং বিপণনের প্রচারের জন্য একটি বিস্তৃত উদ্দেশ্য থাকাও অন্য আরেকটি কারন।

পুরানো সময়ের বিভিন্ন পরিবর্তনের মধ্যে একমাত্র পরিবর্তনটি ছিলও লোগোকে ওভারহেডের একটি চূড়ান্ত রূপ দেয়া  সবসময়ের ব্যবহারের জন্য।

এনার্জেটিক রিবন এর এরা ২০০২ থেকে ২০০৭ সাল

 

কোকা কোলা ক্লাসিক লোগো

২০০২ সালে, ভিনটেজ ভাইবসের যুগটি রিবন যুক্ত করে নকশার সৌন্দর্য বাড়িয়ে তোলে, যা মডেলটিকে নতুন এক এনার্জি চার্জ আপ করতে সক্ষম হয়।

গ্রাফিক্সের রিবন কোকা কোলা প্রডাক্টস এ সংযুক্ত হয়েছিল।

তবে সেটির ব্যবহার ছিলও একেক দেশে একেক রকম ।

ইনোভেটিভ লুক এপারেন্স তাদের লাল এবং সাদা প্যালেটটি তাদের কোম্পানির দীর্ঘ দিন ধরে লালন করা অবজারভেশন গুলোকে বাদ রেখে রিবনগুলোর সংখ্যা হাইলাইট করেছে।

২০০৭ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত আরও কিছু পরিবর্তন

নির্ভুল লাল ডিস্ক এর মাঝে সাদা কোকা কোলা টেক্সট কর্পোরেট এবং খুচরা ব্যবসায়ের জন্য কার্যকরী করে তোলা হয়।

এবার আর কোনও শ্লোগান রাখা হয়নি বাড়তি ভাবে !

কোকা কোলা লোগো ডিজাইন ২০০৭

স্লোগানের অনুপস্থিতি এবং কোকের বোতলটি ব্র্যান্ড হিসেবে তৈরি করতে লোগোটি সাহায্য করেছিল পুরোপুরি।

লোগো ডিজাইনটি আরো একবার মোড় ঘুরিয়েছিল ২০০৯ সালে।

তবে ২০০৭ এবং ২০০৯ এর কোকা-কোলা লোগো ডিজাইন দুইটিই কিন্তু বর্তমানে ব্যবহৃত হচ্ছে ।

 

 

কোকাকোলা লোগো – ২০০৯ চূড়ান্ত পরিবর্তন

২০০৯ সালে একটি লোগো ডিজাইনের চূড়ান্ত সংস্করণ প্রকাশ করা হয় !

 

কোকা-কোলা নামটি এবার অফিসিয়াল লোগোতে আরও দক্ষতার সাথে নিজেদের পরিবর্তন দেখিয়েছিল।

স্ক্রিপ্ট, ফিতা এবং একটি শালীন-ট্রেডমার্ক প্রতিনিধিত্ব করে আসছিলো এতদিন এবার সমস্ত ক্যাপফ্রেস, প্রতীক এবং পরিপূরক চিত্রগুলি বাদ দেওয়া হয় লোগো থেকে। টেক্সট টিকেই তুলে ধরা হয় নতুন আঙ্গিকে ভিন্ন রঙে।

 

কোকা কোলার লোগো ডিজাইন

কোকা-কোলা লোগো ডিজাইনের এভিলিউশনটি আশ্চর্যজনকভাবে ২০০৯ এ শেষ হয় ; অবশ্য আমি ব্যক্তিগতভাবে ভবিষ্যতে আরও সৃজনশীল হবে কোকা কোলার লোগো এমনই  আশা করি।

এটি ব্র্যান্ডিংয়ের এসেন্স বলা যায় যা কিনা একটি ব্র্যান্ড কে তুলে ধরার সফল ধারণাকে প্রতিবিম্বিত করে।

 

নিঃসন্দেহে, এই কোলার আবিষ্কারের গল্পটি কিভাবে এত যুগ ধরে নিজের জায়গা থেকে উঠে এসে  বৃহৎআকার জনগোষ্ঠীর প্রিয় ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে তা শেখায় আমাদের।

একজন জন স্টিথ পেমবার্টনের তৈরি সিরাপ কার্বনেটেড পানীয় কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করে ফেলে।

 

১৮৮৮ সালে,  পেটের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান।

মার্কেটিং এর জন্য, সংস্থাটি নোটবুক থেকে শুরু করে কোকা-কোলা, বিজনেস ক্যালেন্ডার, ওয়ার্কস্টেশনে পোস্টার গ্লাস ধরে থাকা মহিলাদের ছবি প্রচার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করেছিল।

এফেকটিভ প্রিন্টিং থেকে শুরু করে হাইকোয়ালিটি  ফটোগ্রাফির মাধ্যমে, তারা কোলা পানীয়কে সেরা পানীয় হিসাবে বিজ্ঞাপন প্রচারণা চালিয়েছে ।

কোলা এখন  জাতীয় ড্রিঙ্ক হয়ে উঠেছে, আর এই দাবিটি  ইন-হাউজ ম্যাগাজিনের।

 

লেখার শেষ অংশে এসে আমাকে অবশ্যই বলতে হবে, প্রত্যেকের উচিত আটলান্টায় অবস্থিত কোকাকোলা জাদুঘরের অভ্যন্তরে কোকা-কোলার ক্যাফেটি দেখা উচিত, অন্তত জেয়ে না হলেও পর্দায় বা ছবিতে।এখন প্রযুক্তি হাতের মুঠোয় হওয়ায় চাইলেই আপনি দেখে আসতে পারেন গুগোল করে।