ইউএন এর শীর্ষে থাকা ১০টি লোগো ডিজাইনের ইতিহাস - প্রিয়লেখা

ইউএন এর শীর্ষে থাকা ১০টি লোগো ডিজাইনের ইতিহাস

Afreen Houqe
Published: February 3, 2020

যখনই কোন ওয়েব সাইট কিংবা পেইজের জন্য আমরা একটি লোগো ডিজাইন করতে যাই সবার আগেই আমাদের মাথায় একটি বিষয় কাজ করে সেটি হলও দর্শক এর কাছে সেটিকে কিভাবে দৃষ্টি নন্দন এবং আকর্ষণীয় করে তোলা যায়, যার ফলে ব্যাবসায়িক ভাবে প্রতিষ্ঠান লাভবান হতে পারে। সেক্ষেত্রে আমাদের কাছে অবজেক্টিভ থাকে যা আমরা ব্যবহার করতে পারি।

তবে অবাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের বেলায় আমাদের কিন্তু সেই সুযোগটি থাকেনা, কারণ তারা জনকল্যাণ মূলক কাজ করে থাকেন ।

যেহেতু বাণিজ্যিক এবং অবানিজ্যিক দুটি ভিন্ন ধারা সেহেতু ধরেই নেয়া যায় তাদের প্রচার ধারাও ভিন্ন হবে।

তবে লক্ষণীয় ব্যাপার হলও একটি অবাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান শুরু করাও কিন্তু একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান শুরু করার মতই অনেকাংশে।

আর সেজন্যই আপনাকে এমন লোগো নির্বাচন করতে হবে যা কিনা সবার মধ্যে প্রতিষ্ঠানের বার্তা স্বচ্ছ ভাবে প্রকাশ করতে এবং জরুরি বিষয় আপনার লোগোটি কতটা আকর্ষণীয় হয় দর্শকের চোখে।

একটি প্রতিষ্ঠানের পরিচয় তার কাজ তার সফলতা সবকিছুই নির্ভর করে একটি ইউনিক লোগোর মাধ্যমে। একটি সিম্বল একটি ছবি একটি প্রতিষ্ঠানের মান নির্ণয় করা নয় শুধু প্রতিষ্ঠানকেও উপস্থাপন করে।

অবাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের লোগো তৈরির সময় একজন ডিজাইনার সবসময় একটি চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়ে থাকেন,তার কারণ বাণিজ্যিক এবং অবাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের লোগোর মধ্যে ব্যবসায়িক অন্যদিকে সামাজিক প্রেক্ষাপট অনুযায়ী তফাত করতে পারেন না।

বর্তমানে অবাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কাজের ধরনে প্রচুর পরিবর্তন দেখা যায়, তারা এখন অনেক বেশী পেশাদারীত্বের সাথে কাজ করছেন।

আর এজন্যই তাদের লোগোতে তাদের কাজের ধরনের সাথে সাথে সামাজিক দায়িত্ব এবং অন্যান্য উপাদান প্রকাশ করা অনেকটা দুঃসাধ্য হয়ে যায়।

আজকের এই ব্লগ পোস্টে আমরা কথা বলবো দশটি অবাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের লোগো নিয়ে। কাজ করার সময় আপনারা সমস্যাগুলো এড়িয়ে যেতে পারবেন আশা করি।

 দ্যা ইউনাইটেড ন্যাশনস লোগো

নীল সাদার সংমিশ্রণে তৈরি লোগোটি পুরোপুরি ভাবে তাদের প্রতিষ্ঠানের প্রতিচ্ছবি প্রতিফলিত করতে সক্ষম। গ্লোব ঘিরে থাকা লরেল পাতা বিস্বস্তা এবং নির্ভরতার প্রতীক সরূপ। সমগ্র বিশ্বে শান্তি স্থাপনে কাজ করছে তারা এই বার্তাটিও যেন স্পষ্ট এই লোগোতে। শধু মাত্র একটি লোগোর মাধ্যমেই তারা সমস্ত ইউএন অঙ্গ সংগঠন গুলোকেও যুক্ত করে রেখেছে।

এই লোগোটি বানানো হয় আন্তর্জাতিক সংগঠনের সম্মেলন চলাকালীন সময় ১৯৪৫ সালে। লিঙ্কন লান্দকুইসটের তত্বাবধায়নে একদল ডিজাইনার এই লোগোটি তৈরি করা হয়।

দ্যা ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন লোগো

সমগ্র বিশ্ব জুড়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সুরক্ষায় একযোগে কাজ করে যাচ্ছে ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন (WHO) এটিও ইউনাইটেড ন্যাশনস এর একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান যা কিনা এর লোগোটি দেখলেই কিছুটা অনুমান করা যায়। এই লোগোতে গ্লোব ও লরেল পাতার ঠিক মাঝ বরাবর একটি সাপকে দেখা যাচ্ছে যা কিনা মেডিসিন এবং মেডিকাল পেশাকে ইঙ্গিত করে। ডিজাইনার খুবই সামান্য পরিবর্তনের মাধ্যমেও কিন্তু বুঝিয়ে দিয়েছেন এই লোগো কি বার্তা বহন করে।

ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের প্রধান দপ্তর জেনেভায় আর এই প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়েছে ৭ এপ্রিল ১৯৪৮ সালে।

দ্যা ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম লোগো

দ্যা ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম (WFP) খবুই প্রভাবশালী মানবিক একটি সংগঠন যেটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬১ সালে।

এদের প্রধান উদ্দেশ্য জরুরি অবস্থায় খাদ্য পুষ্টি সংক্রান্ত সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে মানব জীবনে পরিবর্তন এনে দেয়া।

৮০ টি দেশে এদের দপ্তর রয়েছে যার প্রধান দপ্তর রোমে, সেই সাথে প্রতি বছর গড়ে ৮৩ টি দেশে আনুমানিক ৯১.৪ মিলিয়ন মানুষকে সহায়তা করে থাকে।

এই লোগোটির দিকে তাকালে দেখবেন কিছুটা ভিন্নতা থাকলেও ইউএন লোগোর সাথে সম্পৃক্ত রাখা হয়েছে। এখানেও লরেল পাতা থাকলেও গ্লোবের বদলে মাঝে রাখা হয়েছে মুঠির আদলে হাতে শস্য এবং ভুট্টা, যা কিনা তাদের কাজের বার্তাটিও পৌছে দিচ্ছে খুবই সাবলীল ভাবে।

লোগোর আইকনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে তাদের নামকেও যুক্ত করা হয়েছে নিখুত উপায়ে।

দ্যা ইন্টারন্যাশনাল মনিটারি ফান্ড লোগো

১৯৪৪ সালে ৪৪ টি দেশের প্রতিনিধি দল বৃটন উডস এ মিলিত হয়ে একটি পরিকল্পনা তৈরি করেন যেটি কিনা বিশ্ব যুদ্ধের পরবর্তী অর্থনৈতিক মন্দা পরিস্থিতি সামাল দেয়ায় অবদান রাখে। জাতে করে যুদ্ধ পরবর্তী সময় অর্থনৈতিক সংঘর্ষ না ঘতে এটি ছিল তাদের মুল উদ্দেশ্য।

এবং তারা আইএমেফ প্রতিষ্ঠা করেন ইন্টারন্যাশনাল মনিটারি কর্পোরেশন কে উন্নত করার লক্ষে।

এরপর থেকেই আইএফেম তাদের কাজের স্থিরতা বজায় রেখে সার্বিকভাবে এক অন্যের রাষ্ট্রের সাথে বিনিয়গ লেনদেনের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। দারিদ্র বিমোচনের ক্ষেত্রে এমনকি অর্থনৈতিক অবকাঠামো বজায় রাখার মাধ্যমে তারা কাজ করে চলেছে সমগ্র বিশ্ব জুড়ে। এবং ১৮৯ দেশে এই সেবা প্রদান করে যাচ্ছে ।

লোগোটির দিকে নজর দেই, শিল্ড আকৃতির লোগোটির মাঝে গ্লোব রাখা হয়েছে। শিল্ড কে এখানে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে শক্তিশালী অর্থে বুদ্ধিমত্তার সাথে। গ্লোবের নীচে লক্ষ করলেই নজরে পরে অলিভ পাতা এবং ফল। যার আক্ষরিক অর্থ বুঝানো হয়েছে ইন্টারন্যাশনাল মনিটারি ফান্ড অনেকটা অলিভের মতই যেটি পাকলে সাথে সাথে খাওয়া যায়না নির্দিষ্ট সময়ের আগে, একই ভাবে এই প্রতিষ্ঠান কড়া নজরদারিতে তাদের কাজ পরিচালনা করে থাকে।

লোগোর চারপাশে তাদের প্রতিষ্ঠানের নামটিও দারুণভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

দ্যা হিউম্যান রাইটস কাউন্সিল

হিউম্যান রাইটস কাউন্সিল ইউনাইটেড ন্যাশনস এই অঙ্গ সংস্থা যারা মূলত মানবধিকার নিয়ে কাজ করে থাকে।

ইউএন জেনারেল এসেম্বলি কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৬ সালের ১৫ মার্চ, তাদের প্রথম সমাবেশ গঠিত হয় ১৯ জুন থেকে ৩০জুন পর্যন্ত।

এই লোগোটি দেখতে একদমই ইউএন লোগো সদৃশ একটি মাত্র পার্থক্য সেটি হলও লোগোটির সাথে তাদের প্রতিষ্ঠানের নামকে সংযুক্ত করা হয়েছে। লোগোর ব্যাকগ্রাউনড এর রঙটি লোগোর সৌন্দর্য কে ফুটিয়ে তুলতে সক্ষম।

ইউনাইটেড ন্যাশনস ইনভরমেনট প্রোগ্রাম লোগো

এই সংস্থার জন্ম হয় ১৯৭২ সালে যা কিনা ইউনাইটেড ন্যাশন এর অন্তর্ভুক্ত সংস্থা। এরা মূলত পরিবেশগত বিষয় গুলো নিয়েই কাজ করে থাকে। তাদের প্রধান উদ্দেশ্য জলবায়ু এবং পরিবেশ নিয়ে কাজ করা এবং এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে পরিবর্তনশীল বিশ্বে সেগুলো তুলে ধরে সেই সমাধানের লক্ষে কাজ করা।

লোগোটি এই প্রতিষ্ঠানের মুল উদ্দেশ্যটি সফলভাবে তুলে ধরেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে একটি গ্লোবের ঠিক মাঝখানে মানুষের প্রতিকৃতি যা কিনা গ্লোবের দুইপাশে দুটি হাত দিয়ে স্পর্শ করে আছে। যা কিনা স্পষ্ট বার্তা দেয় ইউনাইটেড ন্যাশনস ইনভরমেনট প্রোগ্রাম কাজ করছে বিশ্বের সব কোনায়। লোগোর বামপাশে প্রতিষ্ঠানের নাম দেয়া হয়েছে যা মানানসই লাগছে।

দ্যা ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশন লোগো

দ্যা ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশন প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯১৯ সালে। উনবিংশ শতাব্দীতে শ্রমিকদের সামাজিক  আন্দোলনের  সৃষ্টি হয় যার উদ্দেশ্য ছিল সারা বিশ্বে শ্রমিকদের অধিকার এবং জীবিকার মানে সমতা আনা।

১৯৪৬ সালে পূর্ণ নেতৃত্বের সাথে আইএলও যুক্ত হয় ইউনাইটেড ন্যাশন এর সাথে।

১৯১৯ সালের ৪৫টি দেশের সদস্যপদ বেড়ে এখন তার সংখ্যা ১২১।

তিনটি কঠিন কাজ করে থাকে আইএলও প্রথম আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শ্রমিকদের মান উন্নয়ন।

দ্বিতীয় উন্নত দেশের সাথে কারিগরি সহযোগিতা প্রদান।

তৃতীয় মান সম্পন্ন সহায়তা সহ ব্যাপক প্রশিক্ষণ সাথে শিক্ষণীয় অনুসন্ধান এবং প্রকাশ করা।

আইএলও লোগোটি অনেকটা যন্ত্রাংশের অবয়বে বানানো হয়েছে যার অর্থ তারা শ্রমিকের দৈনন্দিন জীবিকার সাথে একটি মিল রাখার চেষ্টা করেছে। তিনটি যন্ত্রাংশের মাঝে সংস্থার না শর্ট ফর্মে রাখা হয়েছে আর ডান পাশে প্রতিষ্ঠানের সম্পূর্ণ নাম। তবে অন্যন্য ইউ এন লোগোর রঙের চেয়ে এই লোগোতে একটু গাড় রং ব্যবহার করে সামান্য পরিবর্তন আনা হয়েছে।

দ্যা ইউনাইটেড ন্যাশনাল চিলড্রেন্স ফান্ড লোগো

ইউনাইটেড  ন্যাশন চিলড্রেন্স ফান্ডের পূর্ববর্তী নাম ছিল ইউনাইটেড ন্যাশনস চিলড্রেন্স ইমারজেন্সি ফান্ড, এটি একটি বিশেষ প্রোগ্রাম যেটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ।  ১৯৪৬ সালে শিশুদের স্বাস্থ্য সেবা দেয়ার জন্য জরুরি অবস্থায়।

১৯৪০ সালের খাদ্য এবং চিকিৎসা ব্যবস্থা শিথিল হবার তাদের কার্যক্রম বহাল রাখে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত। ধীরে ধীরে এই সংস্থা শিশুদের অধিকার নিয়েও কাজ করা শুর করে।

১৯৮৯ সালের ইতিহাসে মানবধিকার সম্মেলন এতটাই জনপ্রিয় হয়ে উঠে তার কারণ হিসেবে বলা হয় ইউনিসেফ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

লোগোর দিকে তাকালেই জানা যাবে লোগোটি ইউএনের লোগোর মত অনেকটা। এখানে গ্লোবের মধ্যে দেখা যাচ্ছে অভিভাবকের একটি বাচ্চাকে ধরে রেখেছে যা কিনা মমতা ভালবাসা আস্থার ইঙ্গিত বুঝাচ্ছে। আর লোগোর সাথেই সংস্থার নাম যুক্ত করা হয়েছে।

ইউনাইটেড ন্যাশনস পপুল্যাশন ফান্ড লোগো

ইউনাইটেড ন্যাশন ফান্ড পপুল্যাশন একটিভিটিস যার নাম পরে পরিবর্তন করে রাখা হয় ইউনাইটেড ন্যাশন ফান্ড। এই সংস্থার জন্ম ১৯৬৯ সালে। এই সংস্থার কাজ বিশ্বে জনসংখ্যা বৃদ্ধি রোধে এবং স্বাস্থ্য সেবামুলক কাজ পরিচালনা করা।

বর্তমানে তারা বাল্যবিবাহ রোধে, নারী ও শিশুর গোপন শারীরিক সমস্যায় সেবা প্রদান করছে।

ইউএনের বাকি লোগো গুলোর তুলনায় এই সংস্থার লোগোটি একদম ভিন্ন আর চোখে পরার মত।

ডিজাইনার একটি গোলাকৃতি অংশের মাঝে সংস্থার নাম যুক্ত করেছে আবার অন্যদিকে চারকোনা শেপ রেখে এই সার্কেল ব্যবহার করা হয়েছে। তার মাঝে ভিন্নতা যোগ হয়েছে ইউএনের আইকন ব্যবহার করায়।

ইউনাইটেড মারিটাইম অর্গানাইজেশন লোগো

ইন্টারন্যাশনাল মারিটাইম অর্গানাইজেশন এর আগের নাম ছিল ইন্টার গভারমেনটাল মারিটাইম কনসালটেটিভ অর্গানাইজেশন। এই সংস্থাটি কাজ করে  জলবায়ু নিরাপত্তার জন্য। সামুদ্রিক জাহাজ বা নদী পথে যান থেকে বায়ু দূষণ রোধেই এরা কাজ করে। ইউএনের পরেই প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয় এই নিরাপত্তা বাস্তবায়ন করতেই ১৯৪৮ সালে জেনেভায় প্রতিষ্ঠা করা হয় ইউনাইটেড মারিটাইম অর্গানাইজেশন এর।

এই লোগোটি ওয়ার্ড মার্ক লোগো, ডিজাইনার লোগোটি ডিজাইন করেছে ওয়ার্ড ব্যবহার করে অর্গানাইজেশনের সম্পূর্ণ নামকেই সে ডিজাইন হিসেবে ব্যবহার করেছে। ইংলিশ লেটার ও মাঝে সে ইউএন আইকন রেখেছে এবং সংস্থার নামের সাথে সামঞ্জস্য পূর্ণ করার জন্য সে দুটি এঙ্কর যোগ করেছে ইউএন আইকনের মাঝে। সম্পূর্ণ নামের সাথে সংক্ষিপ্ত নামটি দেখতে একদমই বেমানান লাগছে না।

পরিশেষে

এই ছিলও ইউনাইটেড ন্যাশন এর দশটি লোগো। আশা করি আপনারা একটি বাণিজ্যিক এবং অবাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের লোগোর মাঝে পার্থক্য বুঝতে পারবেন এবং আপনার ক্লায়েন্টের জন্য তাদের চাহিদা অনুযায়ী লোগো বানাতে পারবেন।