অনলাইনে তথ্য গোপনের সাত সহজ উপায় - প্রিয়লেখা

অনলাইনে তথ্য গোপনের সাত সহজ উপায়

চৌধুরী সাহেব
Published: August 18, 2016

আজকের দিনে সোশ্যালমিডিয়া বা অনলাইন মিডিয়ায় অনেকেই ব্যস্ত৷ দিনের বেশির ভাগটাই কাটছে এই মায়াজালে ৷ ফলে সকলেই নিজস্ব কিছু গোপন তথ্য শেয়ার বা স্টোর করছে সর্বদা ব্যবহৃত এই মিডিয়ায়৷

কিন্তু এই ব্যস্ততার মাঝেই অনলাইন মিডিয়ায় হামলা চালায় হ্যাকার বা জালিয়াতরা৷ বোকা বানিয়ে নিমেষে হাপিশ করে নেয় আপনার গোপন তথ্য৷

কিন্তু এবার রইল সাতটি বিশেষ টিপস যে কাজগুলি করলে আপনি কিছুটা হলেও রক্ষা করতে পারবেন আপনার কোনও গোপন তথ্যকে৷

১৷ পাসওয়ার্ড নিজের কাছে রাখুন

কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটের ও ব্যাংক কার্ডের পাসওয়ার্ড যেন কখনই এক না হয়৷ এছাড়া কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটে কোনো পাসওয়ার্ড লিখে রাখবেন না৷ এর ফলে আপনার তথ্য চুরির সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়৷ বাড়ির বাইরে গেলে এগুলি লক করে যান৷
২৷ ‘গুগল অ্যালার্ট’ ব্যবহার করুন

এটা খুব সহজ পন্থা, আপনি যদি দেখতে চান ইন্টারনেটে আপনার সম্পর্কে সবাই কী বলছে৷ সোজা এই ঠিকানায় যান – http://www.google.com/alerts এবং আপনার নাম লিখুন৷ তারপর আপনার নামের বিভিন্ন ধরন লিখে, তার আগে ও পরে ‘কোটেশন মার্ক’ জুড়ে দিন৷ আর দেখে নিন প্রয়োজনীয় তথ্য৷
৩৷ ব্যবহারের পর লক্ষ্য রাখা

আপনি যদি অন্য কারো কম্পিউটার বা ট্যাবলেট ব্যবহার করেন, তবে একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ জিনিস লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন৷ আপনার পর যিনি সেটা ব্যবহার করবেন, তিনি যাতে আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে না পারে – সেটা খেয়াল রাখুন৷ আপনি যদি এটা করতে ভুলে যান, তাহলে ফলাফল ভয়াবহ হতে পারে৷

৪৷ জিপ কোড ব্যবহার করতে না দেয়া

অচেনা কোনো মানুষ এই নম্বরগুলো জানতে চাইলে, আপনারা দেবেন না৷ দেখা যায় কোনো অফিস তাঁর কর্মীর কাছ থেকে এ সব তথ্য চাইলে, অনেকেই স্বেচ্ছায় তা দিয়ে দেয়৷ বহু অফিস এ নিয়ে একটি প্রোফাইল তৈরি করে৷ আপনার কিন্তু এ সব তথ্য না দেয়ার অধিকার আছে৷ তাই আপনি যদি এতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ না করেন, তবে দেবেন না৷

৫৷ কার্ড নয় ক্যাশ

আপনি যদি চান আপনি যে পণ্যটি কিনছেন, সেই কোম্পানি আপনারা পরিচয় না জানুক, তবে নগদ অর্থে জিনিস কিনুন৷

৬৷ ফেসবুকে নিরাপত্তার জন্য ‘ফ্রেন্ডস’ ব্যবহার করুন

ফেসবুকে সবসময় ‘সিকিউরিটি’ বা নিরাপত্তা পরীক্ষা করুন৷ পোস্ট করার পর লক্ষ্য রাখুন আপনি আপনার ছবি বা মন্তব্য ‘ফ্রেন্ডস’ করে রেখেছেন, নাকি ‘পাবলিক’ করেছেন৷ আপনি যদি ‘স্পেশ্যাল’ নির্বাচন করেন এবং ঠিক করে দেন কে কে আপনার পোস্ট দেখতে পাবে, তবে সেটা আপনার তথ্য নিরাপত্তার জন্য তুলনামূলক ভাবে ভালো৷

৭৷ ‘হিস্ট্রি’ মুছে ফেলুন

আপনি সর্বশেষ কবে এটা করেছেন? আপনি যদি নিশ্চিত না হন, ব্রাউজারে গিয়ে এটা পরিবর্তন করুন৷ ব্রাউজারের ‘প্রাইভেসি সেটিংস’-এ যান, সেখানে ‘নেভার রিমেমবার হিস্ট্রি’ নির্বাচন করুন৷ মুচে ফেলুন আপনার হিস্ট্রি৷